-->

বিশ্বরাজনীতিতে নজরদারি প্রযুক্তির প্রভাব

প্রযুক্তি নামক ডিজিটাল ঘোড়ার চতুর সওয়ারী হয়ে স্বদেশ-বৈদেশে ছড়ি ঘুরানোর খেলায় মেতেছে বিশ্ব নেতৃত্ব। খেলাটি একসময় অতি গোপন থাকলেও এখন...

আন্তর্জাতিক রাজনীতি চলে তার আপন গতিতে, নির্ভর করে একেক সময় একেক বিষয়ের উপর, জন্ম দেয় নিত্য নতুন ঘটনার। মানব সভ্যতা এখন প্রযুক্তিগত উন্নয়নের শীর্ষে অবস্থান করছে। তাই মানব রাজনীতিতে প্রযুক্তির প্রভাব ও বিচরণ দিন দিন বাড়ছে। এর প্রভাবে কোন দেশে নতুন সরকার আসছে, তো আবার কোন দেশে ক্ষমতাসীন সরকারের পতন ঘটছে। এভাবেই প্রযুক্তির অভিগম্যতা প্রতিনিয়ত প্রভাবিত করছে মানব সভ্যতার ক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ, সকল প্রত্যয়-প্রপঞ্চকে। ফলস্বরূপ আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রযুক্তি নামক ডিজিটাল ঘোড়ার চতুর সওয়ারী হয়ে স্বদেশ-বৈদেশে ছড়ি ঘুরানোর খেলায় মেতেছে বিশ্ব নেতৃত্ব। খেলাটি একসময় অতি গোপন থাকলেও এখন প্রযুক্তিরই কল্যাণে তা প্রকাশিত হচ্ছে সময়ে-অসময়ে, বেকায়দায় ফেলে দিচ্ছে মুখোশধারী গুপ্ত খেলোয়াড়দের।
.

বিশ্বরাজনীতিতে নজরদারি প্রযুক্তির প্রভাব

.
আধুনিক বিশ্বে মানুষের উপর কর্তৃত্ব বৃদ্ধি করতে ক্ষমতাবানদের সবচেয়ে প্রিয় ও মোক্ষম হাতিয়ার হলো আড়ি পাতার প্রযুক্তি। এখন কম্পিউটার বিজ্ঞানের প্রবেশ ও অস্তিত্ব রয়েছে প্রতিটি ঘরে ঘরে। করোনা আমাদের দেখিয়েছে, প্রযুক্তির মাধ্যমে কীভাবে ঘর থেকে সবকিছু পরিচালনা করা যায়, আর এর বিচ্ছিন্নতা কীভাবে আমাদের বিশ্বব্যবস্থা থেকেই বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। তাই বাধ্য হয়ে মানুষ ঘরে ঘরে প্রযুক্তিগত ডিভাইসগুলো স্থাপন করছে, আর এগুলোই এখন হয়ে উঠছে ক্ষমতাবানদের মনুষ্য জাতি নিয়ন্ত্রণের গোপন অস্ত্র। এর মাধ্যমে উপর মহল প্রত্যেকটি মানুষের গোপনীয়, ব্যক্তিগত সব ধরনের বিষয় সম্পর্কে অবগত হতে পারছে; এমনকি কখনো কখনো তা নিয়ন্ত্রণও করছে। এভাবে জনসাধারণকে ঘর থেকে সর্বাধিক দুর্বল জায়গায় আঘাত করা যায় বলেই হয়তো এই নজরদারি প্রযুক্তিকে বিশ্ব বিখ্যাত গণমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট "সামরিক অস্ত্র" হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।
বিশ্বরাজনীতিতে নজরদারি প্রযুক্তির প্রভাব
বিশ্বরাজনীতিতে নজরদারি প্রযুক্তির প্রভাব
.
মানুষের চাহিদা অসীম, এর কোন সীমা নেই। আমরা নিজের ঘর নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে কীভাবে প্রতিবেশির ঘরও নিয়ন্ত্রণ করা যাবে সেই চিন্তায় থাকি। আর তাতে সফল হলে সমাজ ও রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ নিতে উঠে পড়ে লাগি। একইভাবে রাষ্ট্রপ্রধানরা আগে আইন শৃঙ্খলা রক্ষার অজুহাতে আড়ি পাতার মাধ্যমে নিজ দেশ নিয়ন্ত্রণ করতো, আজ সেই নিয়ন্ত্রণ দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও প্রসারিত করছে ক্ষমতাবান রাষ্ট্রগুলো। সর্বশেষ 'ফরবিডেন স্টোরিজ' প্রকাশিত চাঞ্চল্যকর পেগাসাস কান্ডে আমরা এরই প্রমাণ পেয়েছি। এতে দেখানো হয় কীভাবে মুঠোফোন বা কম্পিউটারের মাধ্যমে সরকার প্রধানেরা নিজ দেশের সাংবাদিক, গণমাধ্যম, মানবাধীকারকর্মী, বিরোধীদল থেকে শুরু করে নিজ সরকারের কর্মীদের উপরও নজরদারি চালিয়েছেন। আবার বিশ্বরাজনীতিতে নিজ প্রভাব অক্ষুন্ন বা বৃদ্ধি করতে শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলোর অন্য রাষ্ট্রের উপর নজরদারির ঘটনাও উঠে এসেছে এই কেলেঙ্কারিতে। এতে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রো, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা, ইরাকের প্রেসিডেন্ট বারহাম সালেহি, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানসহ অন্তত ১৪ জন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের উপর নজরদারির কথা বলা হয়েছে।
.
.
এভাবে নিজ ঘরে বসে অন্যের ঘর সম্পর্কে অবগত হওয়া এবং নিয়ন্ত্রণ করার সহজ প্রযুক্তি বিকিকিনিই এখন বিশ্ব অস্ত্র বাণিজ্যের সর্বাধিক আকর্ষণীয় অংশ। আর এই নজরদারি প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও তৈরিতে বিশ্বে শীর্ষ স্থানে আছে বিতর্কিত ইহুদিবাদী দেশ ইসরায়েল। পূর্বে যেসব দেশ সোভিয়েত-রাশিয়ার পুরনো আড়ি পাতার প্রযুক্তি ব্যবহার করতো, তারাও এখন তুলনামূলক উন্নত ইসরায়েলি প্রযুক্তিতে অভ্যস্ত হচ্ছে।
নজরদারি প্রযুক্তির প্রতীকী ছবি
নজরদারি প্রযুক্তির প্রতীকী ছবি
.
এক গবেষণায় দেখা গেছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইসরায়েলের অস্ত্র বিক্রি কমেছে, কিন্তু বৃদ্ধি পেয়েছে গোপন নজরদারি প্রযুক্তি বিক্রি। ২০২০ সালের জুনে প্রকাশিত টাইম্স‌ অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, ইসরায়েলের অস্ত্র বিক্রি নিম্নমুখী এবং নজরদারির প্রযুক্তি বিক্রি ঊর্ধ্বমুখী। তারা ২০১৭ সালে ৯ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি করে যা ২০১৯ সালে এসে দাড়ায় ৭ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারে। উল্লেখ্য, দেশটির রপ্তানিকৃত অস্ত্রের শতকরা ৭ ভাগই বিবিধ সাইবার ও ইন্টেলিজেন্স সংক্রান্ত যন্ত্রপাতি।
.
.
অস্ত্র বাজারের তুলনায় নজরদারি প্রযুক্তির বাজারে প্রতিযোগিতা খুবই কম; নেই বললেই চলে। আর এর মাধ্যমে অর্থ প্রাপ্তির পাশাপাশি ক্রেতা দেশকে তুলনামূলক বেশি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় বিধায় এই ব্যবসায় পুরো দমে মনোযোগ দিচ্ছে ইসরায়েল। ফলে তারা ব্যবসার মাধ্যমে কূটনীতি পরিচালনার নীতিতেই এগোচ্ছে এখন। কূটনীতির শত দরজা ব্যবসার মাধ্যমেই খুলে যায়--এটিই এখন ইসরায়লের মূলনীতি যেন।
নজরদারি প্রযুক্তির প্রতীকী ছবি
নজরদারি প্রযুক্তির প্রতীকী ছবি
.
প্রথমে ফিলিস্তিনিদের উপর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে ইসরায়েল এই স্পাইওয়্যার ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তুললেও বর্তমানে তারা সেলিব্রাইট, পিকসিক্স এবং এনএসও নামক বেসরকারি কোম্পানির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী এই প্রযুক্তি রপ্তানি করছে। জানা যায়, সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মাধ্যমেই এসব কোম্পানি নিয়ন্ত্রণ করে ইসরায়েলি প্রশাসন। নজরদারি প্রযুক্তি সরবরাহের মাধ্যমে অপর দেশের সাথে সম্পর্ক স্থাপন, রক্ষা ও নিয়ন্ত্রণের এই কৌশল বিশ্বে "স্পাইওয়্যার ডিপ্লোমেসি" নামে পরিচিতি লাভ করেছে। তবে এই কূটনীতি শুধু বন্ধু রাষ্ট্রের সাথেই পরিচালনা করে ইসরায়েল। তাদের ক্রেতার লিস্টে থাকে না কোন শত্রু রাষ্ট্র।
.
.
বিশ্বে কর্তৃত্ববাদী শাসনের দাপট দিন দিন বাড়ছে। পশ্চিমা পুঁজিবাদ ও আধুনিক সাম্রাজ্যবাদের রজ্জু কাঁধে নিয়ে বিশ্বে স্বৈরশাসনের জয়জয়কার রক্ষায় কাজ করছে অনেক দেশ। আর এই রথযাত্রার রোডম্যাপকে মসৃণ ও নিরাপদ রাখতে সরকারগুলো নীতি-নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে জনগণের নিরাপত্তাকে ধুলোয় মিশিয়ে দিচ্ছে প্রতিনিয়ত। দীর্ঘ দিনের শাসনকে আরো দীর্ঘায়িত করতে এবং নতুন শাসনকে পাকাপোক্ত করতে বিশ্বের কর্তৃত্ববাদী শাসকেরা গণহারে স্পাইওয়্যার কূটনীতিতে অংশ নিচ্ছে যেন।
নজরদারি প্রযুক্তির প্রতীকী ছবি
নজরদারি প্রযুক্তির প্রতীকী ছবি

.
আমরা দেখেছি মার্কিন বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শাসনের শেষ অংশে কীভাবে একের পর এক রাজা-বাদশা শাসিত আরব দেশগুলো স্বীয় জনমত উপেক্ষা করে আচমকা ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিয়েছে। এর কারণ হিসেবে বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশগুলো স্পাইওয়্যার কূটনীতির শিকার। আরব বিশ্বের অধিকাংশ দেশেরই রীতি-ঐতিহ্য অনুসারে ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্থাপন দূষণীয় হলেও স্বৈরাচারী শাসকরা নিজ দেশে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে গোপনে ইসরায়েলের সাথে স্পাইওয়্যার লেনদেনে চুক্তিবদ্ধ হয়। আর সেই খবর কখনো ফাঁস হলে জনবিক্ষোভকে ঐ স্পাইওয়্যার ব্যবহার করেই কীভাবে দমন করা যাবে তার কৌশলও বাতলে দিয়েছে ইসরায়েল। ফলে মার্কিন চাপের সামনে নিজ দেশের জনরোষকে গণ্য করেনি ক্ষমতাসীন শাসকরা। কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের ঘটনায় কিছু দেশে বিক্ষোভ হয়েছিল, কিন্তু তা নিমেষেই অদৃশ্য ক্ষমতাবলে উবে গেছে যেন।
.
.
স্পাইওয়্যারের মাধ্যমে কাদের কীভাবে ঘায়েল করা যাচ্ছে এবং এর মাধ্যমে কী ধরনের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে; সবকিছুতেই ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণ থাকে। ফলে ক্রেতা দেশকে তারা সময়মতো 'ব্লাকমেইল' করে নিজ স্বার্থ আদায় করে নিতে পারছে, এজন্যেই হয়তো একে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থার 'গোপন দরজা' বলা হয়ে থাকে। আর এই 'দরজা' ব্যাবহারের সর্বশেষ অলৌকিক ফলাফল হলো ইসরায়েলের সাথে আরব দেশগুলোর একের পর এক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ। শুধু আরব বিশ্বে নয়, দক্ষিণ এশিয়ায়ও ইসরায়েলি প্রযুক্তি ব্যাবহারের হার ব্যাপক। উইঘুর মুসলিম নির্যাতন ও হংকং বিক্ষোভে বিরোধীমত দমনে চীনের বিরুদ্ধে গণহারে ইসরায়েলি আড়ি পাতার প্রযুক্তি ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। চীন ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া, মরক্কো, ফিলিপাইন, ভারতসহ মানবাধিকার পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটা অনেক দেশে গত পাঁচ বছরে ইসরায়েল বিভিন্ন ধরনের নজরদারির প্রযুক্তি বিক্রি করেছে।
.
.
যদিও ইসরায়েল সরকার মানবাধিকার পরিস্থিতি সন্তোষজনক থাকা দেশগুলোতে মানবাধিকার পরিস্থিতি ও আইনশৃঙ্খলার অধিকতর উন্নয়নে নজরদারি প্রযুক্তি সরবরাহের কথা বলছে। কিন্তু বস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। সরেজমিনে দেখা যায়, ইসরায়েলের প্রযুক্তি আফ্রিকা এবং এশিয়ার ক্রেতা দেশগুলোর মানবাধিকার পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ অবস্থার দিকে নিয়ে যাচ্ছে ।
.
.
প্রতিবেশি দেশ ভারতে ইতোমধ্যেই পেগাসাস কেলেঙ্কারি নিয়ে তুলকালাম চলছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, পেগাসাসের মতো ফোনে আড়ি পাতার প্রযুক্তি ব্যবহার করেই গণতন্ত্রণের তিনটি স্তম্ভকে ধ্বংস করছে মোদি সরকার। ভারত সরকার এ নিয়ে তদন্তে নারাজি দেখানোর পর গত ২৬ জুলাই পশ্চিম্বঙ্গ রাজ্য সরকার নিজেরাই তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
নজরদারি প্রযুক্তির প্রতীকী ছবি
নজরদারি প্রযুক্তির প্রতীকী ছবি
.
দেশ-বিদেশে নজরদারি প্রযুক্তি বিকিকিনি ও ব্যাবহারের এমন রমরমা অবস্থা দেখে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ "নাইন্টিন এইটি-ফোর" এর কথা মনে পড়ে গেল। জর্জ অরওয়েল ১৯৪৯ সালে বসে ৩৫ বছর পর তথা ১৯৮৪ সালের পৃথিবী কেমন হবে তা দেখিয়েছেন এতে। উপন্যাসটিতে দেখা যায়, পৃথিবীতে বাক-স্বাধীনতার কোনো স্থান নেই। প্রতিটি মানুষ নজরদারির আওতায় জীবন যাপন করছে, ব্যক্তিগত বা গোপনীয় বলতে কিছুই নেই। এর অন্যতম একটি ডায়ালগ হল, "বিগ ব্রাদার ইজ ওয়াচিং ইউ"। এরই ভিত্তিতে পরবর্তীতে 'বিগ ব্রাদার' শব্দটি ইংরেজি গণমাধ্যমে সরকারী নজরদারির প্রতীকি শব্দ হিসেবে প্রচলিত হয়।
.
.
বাস্তবেই নজরদারির শিকার হওয়া এখন কতটা সহজ হয়ে দাঁড়িয়েছে তা বিশ্ব মোড়ল যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্টের আলাপ শুনলেই বোঝা যায়। ২০১৭ সালের ১৭ই মার্চ এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জার্মানির চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলকে বলেন, ‘আমাদের দুজনের মধ্যে অন্তত একটা ক্ষেত্রে মিল রয়েছে। তা হলো, আমাদের দুজনের ফোনেই আড়ি পাতা হয়েছে।’
.
.
তবে নজরদারির ঘটনা শুনতে সহজ হলেও এর শিকার হওয়া কাতটা দূর্বিষহ তা একমাত্র ভুক্তভোগিই অনুভব করতে পারেন। প্রযুক্তির এই অপব্যাবহার বিশ্ব মানবাধিকার পরিস্থিতি ও ডিজিটাল পরিবেশকে দিন দিন অধিকতর সাংঘর্ষিক করে তুলছে। এমতাবস্থায় প্রযুক্তি আমাদের জন্য আশীর্বাদ নয়, বরঞ্চ অভিশাপ হিসেবেই মুখোশ উন্মোচন করছে যেন।
.
.
তাই আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের সুফল পেতে আমাদের ডিজিটাল পরিবেশের সাথে মানবাধিকার পরিস্থিতির চলমান সাংঘর্ষিকতা দূর করতে হবে। মানুষের প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা রক্ষাই হোক সাইবার জগতের মূলনীতি। আর এর নেতিবাচক প্রভাব থেকে বাঁচতে আমাদেরও প্রযুক্তি সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান থাকা চাই। সর্বোপরি বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষা ও প্রতিষ্ঠাকে প্রাধান্য দিয়ে সঠিক পন্থায় গণতন্ত্র চর্চাই জনজীবনে স্বস্তি আনয়ন করতে পারে।

ANALYSING THE WORLD

Author & Editor

International Political Analyst and Content Writer.

0 comments:

Post a Comment

Please do not enter any spam link in the comment box.