-->
যুদ্ধের বাইবেল "দ্য আর্ট অব ওয়ার" 🔥🔥

যুদ্ধের বাইবেল "দ্য আর্ট অব ওয়ার" 🔥🔥

ANALYSING THE WORLD

যুদ্ধ মানুষের জীবনে বিভিন্নভাবে সংঘটিত হয়ে থাকে। শুধু যে অস্ত্র হাতে নিয়ে যুদ্ধ করলেই যুদ্ধ, তা নয়। পৃথিবীর প্রতিটা মানুষ জীবন যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে, সংগ্রাম করে বেঁচে আছে।

যুদ্ধের বাইবেল "দ্য আর্ট অব ওয়ার"


আলোচ্য বইটিও আপনাকে শুধু সামরিক জ্ঞানই দিবেনা, বরং জীবনের প্রতিটি ধাপে আপনাকে পারদর্শী করে তুলবে। পৃথিবীর সর্বাধিক পঠিত বইসমূহের মধ্যে এটি অন্যতম।

আশ্চর্যের বিষয় হলো বইটি ২,৫০০ বছর আগে লিখা হলেও আজ অবধি এটি যুদ্ধের জন্য এক জ্ঞান ভান্ডার হিসেবে বিবেচিত হয়। বিখ্যাত সমর নায়ক মাও সেতুং, জেনারেল জিয়াপ, জেনারেল ম্যাক আর্থারের মতো বীরেরা এই বই অধ্যয়ন করতেন বলে জানা যায়। কথিত আছে, মহাবীর আলেকজান্ডারও এই বই মান্য করে চলতেন। এছাড়া আপনি যখন বইটি পড়বেন, তখন বুঝতে পারবেন কেন আড়াই হাজার বছরেও এই বইয়ের নিবেদন শেষ হচ্ছে না।
ভারত-মায়ানমার-বাংলাদেশ

ভারত-মায়ানমার-বাংলাদেশ

ANALYSING THE WORLD
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভারত সম্প্রতি যেসকল পদক্ষেপ নিচ্ছে, তা সম্পর্ক মজবুত করণে কতটুকু ভূমিকা রাখবে সে বিষয়ে বিশ্লেষক মহলে সৃষ্টি হয়েছে যথেষ্ট সংশয়।

ভারত-মায়ানমার-বাংলাদেশ

সম্প্রতি বাংলাদেশে ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার এসে পৌঁছানোর পর ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে কী ধরনের গতি আসতে যাচ্ছে তা নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। এর আগে বিভা গাঙ্গুলীকে ভারত সরকার সরিয়ে নেয় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে কোন উন্নতি করতে না পারার ব্যর্থতার দায়ে। বিভিন্ন মিডিয়ায় যখন বাংলাদেশ চীনের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে খবর প্রকাশ হয়, এরপর থেকে ভারত বাংলাদেশের সাথে নতুন উদ্যমে কূটনীতি পরিচালনা করে।


দেখা যায়, হঠাৎ হর্ষবর্ধন শ্রীংলা কোন ঘোষণা ছাড়াই বাংলাদেশে আসেন এবং গুরুত্বপূর্ণ মহলে কিছু বৈঠক করেন। এরপর সম্প্রতি ভারত তিস্তার মেগা প্রকল্প থেকে বাংলাদেশকে বিরত রাখতে তিস্তা চুক্তিসহ আরো ছয়টি নদীর পানিবন্টন চুক্তি শীঘ্রই করবে বলে ঘোষণা দেয়। আন্তর্জাতিক মহলসহ বাংলাদেশের মিডিয়ায় যখন সীমান্ত হত্যাকে দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ বাঁধা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়, তখন ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষীদের বৈঠকে ঢাকায় সীমান্ত হত্যাকে শুন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা হবে বলে ঘোষণা দেন বিএসএফ প্রধান। তবে এই আশ্বাস ভারত দীর্ঘ পঁচিশ বছর ধরে দিয়ে আসছে, যা কখনো বাস্তবায়নের মুখ দেখেনি।


সর্বশেষ বাংলাদেশ ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রীংলার নিকট রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের পাশে দাড়ানোর আহবান জানায়। উল্লেখ্য যে, গত এক মাস আগেই ভারত-চীন উত্তেজনাকালীন সময়ে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয় শঙ্কর নিজ থেকেই রোহিঙ্গা ইস্যুতে তখন থেকে বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করে। তবে সর্বদা ভারতের রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভাসমান অবস্থান বাংলাদেশের জন্য কখনো ভাল কিছু বয়ে আনেনি।