-->

তৈরি পোশাক (RMG) রফতানিতে বাংলাদেশ পুনরায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।

ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশনের (WTO) সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে, গত বছরের তুলনায় বাংলাদেশের বিশ্বব্যাপী পোশাক রফতানি বাজারের শেয়ারের পরিমাণ বেড়েছে ৬.৮০ শতাংশ, যা ২০১৮ সালে ৬.৪০ শতাংশ ছিল। একই সময়ে, ভিয়েতনামের পোশাক রফতানি শেয়ার অপরিবর্তিত রয়েছে ৬.২০ শতাংশে।

তৈরি পোশাক (RMG) রফতানিতে বাংলাদেশ পুনরায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।


ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশনের (WTO) সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে, গত বছরের তুলনায় বাংলাদেশের বিশ্বব্যাপী পোশাক রফতানি বাজারের শেয়ারের পরিমাণ বেড়েছে ৬.৮০ শতাংশ, যা ২০১৮ সালে ৬.৪০ শতাংশ ছিল। একই সময়ে, ভিয়েতনামের পোশাক রফতানি শেয়ার অপরিবর্তিত রয়েছে ৬.২০ শতাংশে।



গত সপ্তাহে WTO জেনেভাতে বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করে ২০২০ সালের পরিসংখ্যান উন্মোচন করেছে। সেখানে উল্লেখ করা হয় বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক রফতানি হয়েছিল গত বছর প্রায় ৩৪ বিলিয়ন ডলার।



ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশনের (WTO) সর্বশেষ পরিসংখ্যান
ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশনের (WTO) সর্বশেষ পরিসংখ্যান


তথ্য অনুসারে, চীন ৩০.৮০ শতাংশ নিয়ে বিশ্বে শীর্ষ পোশাক রফতানিকারক হিসাবে রয়ে গেছে, যদিও ২০১৮ সালে এটি ৩১.৩০ শতাংশ থেকে কমেছে।


ডব্লিউটিওর প্রকাশনা অনুসারে, চীন ও ইউ
রোপীয় ইউনিয়নের (EU) পরে পোশাক রফতানিকারক হিসেবে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। যেখানে ভিয়েতনাম, ভারত এবং তুরস্ক যথাক্রমে চতুর্থ, পঞ্চম এবং ষষ্ঠতম।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্মিলিত রফতানির পরিসংখ্যান দেশ অনুযায়ী পৃথক হলে বাংলাদেশ বিশ্বের তৈরি পোশাকের দ্বিতীয় বৃহত্তম রফতানিকারক দেশ হবে।


WTO পরিসং
খ্যান আরো দেখিয়েছে যে শীর্ষ দশটি পোশাক রফতানিকারীর বার্ষিক আয় দাঁড়িয়েছে ২০১৯ সালে ৪১১ বিলিয়ন ডলার, যা ২০১৮ সালের ৪২১ বিলিয়ন ডলার থেকে কিছুটা কম।

ANALYSING THE WORLD

Author & Editor

International Political Analyst and Content Writer.

0 comments:

Post a Comment

Please do not enter any spam link in the comment box.