-->
লিঙ্কডিনে কানেকশন রিক্যুয়েস্ট পাঠানোর ক্ষেত্রে দুটি বিষয় লক্ষ্য রাখুন

লিঙ্কডিনে কানেকশন রিক্যুয়েস্ট পাঠানোর ক্ষেত্রে দুটি বিষয় লক্ষ্য রাখুন

ANALYSING THE WORLD
👉 প্রথমত লক্ষ্য করবেন কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তির প্রোফাইল পিকচার।ছবি প্রফেশনাল এবং হাস্যোজ্জল হলে নির্দ্বিধায় রিক্যুয়েস্ট পাঠাতে পারেন,কারণ ছবির এই দুইটি বৈশিষ্ট্য একজন ব্যক্তি কতটা প্রফেশনাল এবং পজিটিভ মেনটালিটির,তা প্রাথমিকভাবে প্রকাশ করে।

লিঙ্কডিনে কানেকশন রিক্যুয়েস্ট পাঠানোর ক্ষেত্রে দুটি বিষয় লক্ষ্য রাখুন


👉 দ্বিতীয়ত কাউকে রিক্যুয়েস্ট পাঠানোর দুই দিন পর গৃহিত না হলে তা ইনভিটেশনের সেন্ট লিস্ট থেকে উইথড্র করে নিন।কারণ টানা দুই দিন যিনি সক্রিয় নন,কিংবা যিনি আপনাকে নিজের কানেকশন লিস্টে রাখতে অনিচ্ছুক,তাকে রিক্যুয়েস্ট পাঠিয়ে রেখে নিজের রিক্যুয়েস্ট পাঠানোর লিমিট লস করার কোন কারণ নেই।উল্লেখ্য যে,লিঙ্কডিনে একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার কানেকশন রিক্যুয়েস্ট পাঠাতে পারবে।তাই সীমিত সুযোগ সঠিকভাবে কাজে লাগান,পেনডিং রিক্যুয়েস্টগুলো উইথড্র করে নিন•••

 লিঙ্কডিনে কানেকশন রিক্যুয়েস্ট পাঠানোর ক্ষেত্রে দুটি বিষয় লক্ষ্য রাখুন


লিঙ্কডিনে কানেকশন রিক্যুয়েস্ট পাঠানোর ক্ষেত্রে দুটি বিষয় লক্ষ্য রাখুন

বিঃদ্রঃ উপর্যুক্ত পদ্ধতিদ্বয় ব্যক্তিগতভাবে অপরিচিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।এছাড়াও আরো গুরুত্বপূর্ণ এবং ভিন্নমত থাকলে নির্দ্বিধায় জানানোর অনুরোধ রইলো•••
লিঙ্কডিন প্রোফাইল পিকচারের গুরুত্ব

লিঙ্কডিন প্রোফাইল পিকচারের গুরুত্ব

ANALYSING THE WORLD
বর্তমানে অনেক রিক্র্যুটারই লিঙ্কডিন প্রোফাইল দেখে চাকরীপ্রার্থী সম্পর্কে পঞ্চাশ ভাগ ধারণা নিয়ে নেয়,বাকি পঞ্চাশ ভাগ নেয় সাক্ষাৎকারে এটিটিউড দেখে।আবার এমনও দেখা যায় যে,লিঙ্কডিনে অনেকের ক্রিয়েটিভিটি দেখে বিভিন্ন নামিদামি কোম্পানি তাদের হায়ার করে নিয়ে যায়,এটা বিস্ময়কর কিছু নয়।

লিঙ্কডিন প্রোফাইল পিকচারের গুরুত্ব


আমাদের প্রোফাইল কখনো আমাদেরকে বিরাট সম্ভাবনার নিকটবর্তী করতে পারে,আবার একইভাবে সুযোগ হারানোর ক্ষেত্রেও দায়ী হতে পারে।

আমাদের প্রোফাইল সামনে আসা মাত্র প্রথম যেখানে চোখ পড়ে তা হলো প্রো-পিক।সাধারণতই মানুষ আগে দেখে,পরে গুণ বিচার করে।প্রোফাইলে ঢুকা মাত্র যখন আপনার ননপ্রফেশনাল একটি ছবি দেখবে রিক্র্যুটার,তখনই আপনার সম্পর্কে নেগেটিভ একটি দৃষ্টিভঙ্গি সৃষ্টি হবে তাঁর মনে।অথচ প্রথম দেখাতে পজেটিভ দৃষ্টিভঙ্গি সৃষ্টি করাটা সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যক্তির জন্য।কারণ মানুষ যেকোন কিছু যে দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখা শুরু করে,তার কাছে তা সেরকমই লাগে,এটা হিউম্যান সাইকোলজি।


সুতরাং প্রথম দেখাতে আপনি যদি ভিউয়ারের মনে প্রভাব বিস্তার করতে পারেন,তাহলে পরবর্তী ধাপগুলো পার হওয়া অনেকটা সহজ হয়ে যায়।একজন ব্যক্তির প্রোফাইল পিকচার দেখে অনেক কিছুই আন্দাজ করা যায়।যেমন: তিনি কতটা সিরিয়াস প্রফেশনের ক্ষেত্রে,তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কোনটিতে কী ধরনের বিহেভ করতে হয় তা সম্পর্কে জ্ঞান রাখেন কিনা,সিভিতে লিঙ্কডিন আইডি দিয়েছেন বা লিঙ্কডিন থেকে জব এপ্লাই/ রিক্যুয়েস্ট করেছেন কিন্তু তিনি লিঙ্কডিনই যথাযথভাবে ব্যবহার করতে জানেন কিনা ইত্যাদি।
লিঙ্কডিন প্রোফাইল পিকচারের বৈশিষ্ট্য | গ্রহণযোগ্য নিখুঁত প্রোফাইল পিকচার

লিঙ্কডিন প্রোফাইল পিকচারের বৈশিষ্ট্য | গ্রহণযোগ্য নিখুঁত প্রোফাইল পিকচার

ANALYSING THE WORLD
গ্রহণযোগ্য নিখুঁত প্রোফাইল পিকচার আপনার প্রোফাইল এবং আপনার এপ্রোচকে দিতে পারে এক ভিন্ন মাত্রা।এর জন্যে আপনি অনুসরণ করতে পারেন নিম্মোক্ত টিপসগুলি•••

লিঙ্কডিন প্রোফাইল পিকচারের বৈশিষ্ট্য

LIGHT

আমাদের প্রো পিকগুলোর অধিকাংশই দেখা যায় কোনটি অন্ধকারাচ্ছন্ন,কোনটি আবার বেশি আলোকিত।ডার্ক মুড পছন্দ করি বলে ছবিতে ডার্ক শেইড ফলো করা উচিত নয়,আবার নিজের চেহারাতে লাইটের ফোকাস দিয়ে স্কিনের সৌন্দর্যতা প্রদর্শনও অযোক্তিক।

ছবিতে লাইটিং হতে হবে একদম ন্যাচারাল।এক্সট্রা ইফেক্ট তৈরির কোন দরকার নেই।এডিটেড আর্টিফিসিয়াল ছবির জন্য ফেসবুক আছেই•••


POSTURE

অনেকের ছবিতে দেখা যায়,তিনি এমনভাবে দাড়িয়েছেন বা বসে আছেন,যা তাঁর ছবির প্রফেশনালিজম নষ্ট করে।

অঙ্গভঙ্গি যেকোন ধরনের হতে পারে,তবে তা কনফিডেন্ট হতে হবে।দাড়ানোর স্টাইল যাতে আপনার কনফিডেন্স প্রকাশ করে।আমি বারবার দাড়ানোর কথা বলছি কারণ বসে তোলা ছবি দাড়ানো ছবির তুলনায় কম এক্সপ্রেশন দেয়।যেমনটা স্পিচ দেয়ার ক্ষেত্রে হয়;স্পিচটা বসে দিলে হয় একরকম,আবার দাড়িয়ে দিলে হয় আরেক রকম।

লিঙ্কডিন প্রোফাইল পিকচারের বৈশিষ্ট্য
লিঙ্কডিন প্রোফাইল পিকচারের বৈশিষ্ট্য

CAMERA POSITION

অনেকগুলো প্রোফাইল পিকের ক্ষেত্রেই দেখা যায় সেগুলো সেলফি।কখনো নিজ হাতে ফ্রন্ট ক্যামেরা দিয়ে তোলা ছবি প্রো পিক দেয়া উচিত নয়।

ক্যামেরার পজিশন থাকবে কিছুটা দুরত্বে,যাতে লিঙ্কডিন যখন ছবিটিকে অটোমেটিক জুম ইন করবে,তখন সহজে ফেইসের ভাল একটা লুক আসে।


FACE EXPRESSION

চেহারার এক্সপ্রেশন ছবির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।কখনো গোমড়া মুখে,চোখ বড় করে,পাউট করে অথবা ভীতিযুক্ত কিংবা দম্ভ প্রকাশক হাসি তথা ঠোঁটের একপাশ উঁচিয়ে ঠাট্টা মিশ্রিত এক্সপ্রেশনের ছবি কখনো দেবেন না। হাস্যোজ্জল, পজেটিভিটি শো করে এমন এক্সপ্রেশনের ছবি দিবেন প্রোফাইল পিকচারে।


LOOK 

সর্বশেষ হলো লুক।অর্থাৎ কেমন পোশাকে কী ধরনের ছবি দেবেন।এক্ষেত্রে আপনাকে নিজ প্রফেশনের সাথে এটাচড গেটাপ নিতে হবে এমন কথা নেই।যে পোশাকই পরিধান করুন,নিশ্চিত করুন যে তা একটি শৈল্পিক মাত্রা সৃষ্টির মাধ্যমে আপনার প্রফেশনালিটি শো করছে কিনা। উপর্যুক্ত বিষয়গুলো মেনটেইন করে প্রো-পিক তৈরি করলে আশা করি ভাল রেসপন্স পাবো সবদিকে আমরা।কারণ মানুষ- "আগে দর্শনদারী,পরে গুণ বিচারী"
"First impression is the last impression"


🔎যে ধরনের প্রো-পিক দেয়া অনুচিত: অনেক দূরে দাড়িয়ে আছেন,চেহারা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছেনা,অন্ধকারাচ্ছন্ন,মোবাইল টিপছেন,আসমান/জমিনের দিকে তাকিয়ে আছেন,চার-পাঁচ জন থেকে প্রাইজ নিচ্ছেন যেখানে আপনি কোনটা তা সহজবোধ্য নয়,সানগ্লাস পরিহিত,নিজের ছবিযুক্ত পোস্টার ইত্যাদি ইত্যাদি।
শিক্ষা ও ডিজিটাল শিখন পদ্ধতিকে উৎসিতকরণ।

শিক্ষা ও ডিজিটাল শিখন পদ্ধতিকে উৎসিতকরণ।

ANALYSING THE WORLD
সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সাশ্রয়ী মূল্যে সার্বজনীন ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিতেকরণের মাধ্যমে শিক্ষা ডিজিটাল শিখন পদ্ধতিকে উৎসাহিত করতে হবে।

শিক্ষা ও ডিজিটাল শিখন পদ্ধতিকে উৎসিতকরণ।


জাতির মেরুদন্ড তথা শিক্ষাকে সর্বাধুনিক এবং যুগোপযোগী করে গড়ে তোলার মাধ্যমেই বাংলাদেশ করোনা পরবর্তীকালে বিশ্বপ্রতিযোগিতায় নিজের অবস্থান মজবুত রাখতে সক্ষম হবে।প্রবাদ আছে,যে জাতি যত বেশি শিক্ষিত সে জাতি তত বেশি উন্নত।আর জাতি উন্নত হওয়া দেশ উন্নত হওয়ারই নামান্তর।তাই দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে রাখতে হলে শিক্ষাকে সার্বজনীন যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে।এর জন্যে প্রথমে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার ত্রুটিগুলো খুঁজে বের করতে হবে।


ইতোমধ্যেই সরকার শিক্ষাব্যবস্থায় যে আমূল পরিবর্তন আনছে দিন দিন তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।তবে এরপরেও আশানুরূপ ফল তরুণ সমাজে পরিলক্ষিত হচ্ছে না।এটি আরো ভালভাবে বোঝা যাবে উন্নত দেশগুলোর শিক্ষার্থীদের মন-মানসিকতা পর্যবেক্ষণ করলে।আমাদের দেশের তরুণ সমাজের দৃষ্টিভঙ্গির দিকে লক্ষ্য করলে আমরা বুঝতে পারবো আমাদের কমতি কোথায়।সাধারণত আমরা উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার পরই উচ্চ শিক্ষার জন্যে বিষয় এবং প্রতিষ্ঠান নির্ধারণ করি।কিন্তু এক্ষেত্রে দেখা যায় আমাদের রুচি বা সিদ্ধান্ত যুগোপযোগী নয়।


করোনা পরবর্তী বিশ্ব হবে প্রযুক্তিনির্ভর এবং কম্পিউটার ভিত্তিক,কিন্তু আমাদের খুব স্বল্প সংখ্যক শিক্ষার্থীর মাঝেই কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে আগ্রহ দেখা যায়,এর কারণ কী?
যেখানে উন্নত বহির্বিশ্বের শিক্ষার্থীদের অন্যান্য বিষয়ের তুলনায় প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ বেশি,সেখানে আমাদের দেশে প্রযুক্তি বিমুখতা এবং ভয় দেখা যায়।আমাদের এই দুটি দোষ যতদিন দূর করতে পারব না,ততদিন আমরা বিশ্বমানের প্রতিযোগিতায় নিম্নগামী থেকে যাব।


তরুণদের চাকরির ব্যবস্থা এবং নতুন কর্মক্ষেত্র তৈরি

তরুণদের চাকরির ব্যবস্থা এবং নতুন কর্মক্ষেত্র তৈরি

ANALYSING THE WORLD
সার্বিক সহায়তা সুযোগ বৃদ্ধি করে তরুণদের প্রযুক্তিগত এবং কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে চাকরির ব্যবস্থা নতুন কর্মক্ষেত্র তৈরি করতে হবে।


তরুণদের চাকরির ব্যবস্থা এবং নতুন কর্মক্ষেত্র তৈরি


আগামী দশ-বিশ বছর পর জনসাধারণের জীবন যতটা ডিজিটিলাইজড হতো,করোনা সংক্রমণের কারণে আগামী কয়েক বছরেই আমাদের জীবনযাত্রা ততটা ডিজিটালাইজড হয়ে যাবে।পরিস্থিতি নিরাপত্তার কারণে মানুষ নিজের জীবনে প্রযুক্তিকরণ ঘটাতে বাধ্য হবে।বিশ্বব্যাপী অবশ্যম্ভাবী এই পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের উন্নতির ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে তরুণ সমাজকে মানব সম্পদরূপে গড়ে তোলার কোন বিকল্প নেই।


ইতিহাস বলে,যে দেশের তরুণ সমাজ যত দক্ষ কর্মঠ ছিল,সে দেশ ততো উন্নত ছিল।তরুণ সমাজ দেশ জাতির প্রতিনিধি স্বরূপ কাজ করে সর্বদা।তাই তরুণদের থেকে হতাশা অসন্তুষ দূর করতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির মাধ্যমে চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।


তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি দক্ষতা বৃদ্ধি কোন বিষয়কে কেন্দ্র করে পরিচালিত হওয়া উচিত প্রথমে তা আমাদেরকে নির্ধারণ করতে হবে।আমরা সবাই দেখছি যে,করোনা মহামারী থেকে বাঁচতে যথা সম্ভব ঘরে থাকাকেই সর্বোত্তম প্রতিষেধকরূপে তুলে ধরছেন বিশষজ্ঞরা।ফলে মানুষ ঘরে থেকে কিভাবে সর্বাধিক কাজ করা যায় সেই চেষ্টাই করছেন।আর যেহেতু ভাইরাসটি শীঘ্রই যাচ্ছেনা,সেহেতু মানুষ সার্বিক কাজ স্থায়ীভাবে ঘরে থেকে সম্পাদনের জন্য প্রযুক্তির সর্বাত্মক ব্যবহার শুরু করেছে ইতোমধ্যেই।


সুতরাং বিশ্বের অধিকাংশ কার্যক্রম ডিজিটালাইজড হওয়ার ফলে আমাদেরকেও এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে কিভাবে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকা যায় সেই চিন্তা করতে হবে।পৃথিবীর নিয়মই এমন যে,পরিস্থিতির সাথে যে যত দ্রুত খাপ খাইয়ে নিতে পারে,সে তত এগিয়ে থাকে।