-->
অপার সম্ভাবনায় বাংলাদেশ!

অপার সম্ভাবনায় বাংলাদেশ!

ANALYSING THE WORLD
বিশ্বব্যাপী করোনার দাপট যেমন বাড়ছে,তেমনি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বাণিজ্যিক/রাজনৈতিক সংঘর্ষ।করোনা পরববর্তী সময়ে সংকট কাটাতে সব দেশ আদা জল খেয়ে মাঠে নামার জন্য পরিকল্পনা তৈরি করছে,তবে সেই মাঠে আসছে ব্যাপক পরিবর্তন।ভারত এবং চীন হারাতে যাচ্ছে বিশাল অর্থনৈতিক বাজার,আর বাংলাদেশের সামনে আসছে অপার সম্ভাবনা•••!

অপার সম্ভাবনায় বাংলাদেশ!

আমরা দীর্ঘ দিন ধরে দেখছি যে,চীন যুক্তরাষ্ট্রের মাঝে বাণিজ্যিক দ্বন্দ্ব লেগে আছে,যা বর্তমানে রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে রূপ নিয়েছে।অপরদিকে ভারতের ক্ষেত্রে দেখা যায়,বর্তমান সরকার ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতার খেতাবকে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়ে একতরফা কর্তৃত্ববাদি উগ্র নীতি গ্রহণ করেছে এবং দিন দিন তা বৃদ্ধি পাচ্ছে।


সর্বশেষ ভারতের পক্ষপাতদুষ্ট উগ্র নীতি প্রয়োগ থেকে বাঁচেনি করোনা মহামারীও।দেশব্যাপী উগ্র হিন্দুরা ছড়ায় করোনা মুসলমানদের দ্বারা আগত রোগ,মুসলিমদের মাঝেই এই রোগ বেশি।এই গুজবকে সত্যে পরিণত করার দায়িত্ব নেয় সরকার সমর্থক প্রেস মিডিয়াগুলো।এরপর শুরু হয় মুসলিমদের এক ঘরে করে দেয়ার প্রক্রিয়া,হাসপাতালে চিকিৎসা না দেয়া,ত্রাণ না দেয়া,মারধর ইত্যাদি।মিডিয়ায় ফলাও করে গুজব প্রচারিত হওয়ার সুবাদে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও এই গুজব এবং তার প্রভাব ফলাও করে ছাপানো হয়;শুরু হয় বিশ্বব্যাপী সমালোচনা,জাতেসংঘের নিন্দা।


সর্বশেষ একটি ঘটনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের উগ্র নীতির মুখোশ উন্মোচন করে পুনরায়।কিছুদিন আগে ভারতের একটি বিচারপরতির দল নিজেদের বেতনের টাকা ত্রাণ তহবিলে দান করে।তবে তারা একটি শর্ত দেয়,আর তা হলো এই টাকার ত্রাণ যাতে কোন মুসলিম,তবলীগি,জাহেল না পায়,তা নিশ্চিত করতে হবে।এই তিনটি বেশেষণই ঐ শর্তে ব্যবহৃত হয়।

মানসিক স্বাস্থ্য হুমকির মুখে!

মানসিক স্বাস্থ্য হুমকির মুখে!

ANALYSING THE WORLD
দীর্ঘ দিন যবৎ বন্দি জীবনের ফলে অনেক কয়েদি যেমন জেলখানায় পাগল হয়ে যায়,তেমনি বর্তমানে অনেক দিন ঘরে থাকার ফলে মানসিকভাবে ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছে অনেকেই।

মানসিক স্বাস্থ্য হুমকির মুখে!

তবে কয়েদিদের খাবারের চিন্তা থাকে না,থাকে হতাশা;আর তার প্রতিবেশি রুপে সে পায় অপরাধীদেরই।এর ফলে অনেক কয়েদি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে অন্য কয়েদিদের উপর অত্যাচার শুরু করে,কখনো খুনও করে বসে।


তুলনামূলকভাবে আমরা আছি নিজ ঘরে,তবে চিন্তা আছে খাদ্যের,পরিবারের এবং নিজের ভবিষ্যতের।আজে খেতে পারছি,কাল পারব তো?যা আছে,তাতে আর কয়দিন চলবে?বস তো ফোন ধরছে না,চাকরীটা থাকবে তো?নতুন চাকরী কখন খুঁজব?কোথায় খুঁজব?ততদিন পরিবার নিয়ে চলতে পারব তো?


বেকারদের চিন্তা: কথায় আছে 'বেকারের কাজ বেশি',তাই তার অস্ব্যস্থি আরো বেশি! কখন সবকিছু ঠিক হবে?বাইরে বের হবো? পকেটে টাকা তো ফুরিয়ে এসেছে, বাবা/ভাইয়া আর কয়দিন দিতে পারবে মোবাইল বিল?ঘর আর কয়দিন চলবে জমানো টাকায়?আবদ্ধ ঘরে আর ভাল লাগছে না•••


সব থেকে বড় সমস্যা:
ঘরে শুয়ে বসে কাটাতে কাটাতে প্রায় অধিকাংশ মানুষের মাথায় অপ্রয়োজনীয় চিন্তা আসে এবং মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়, যার ফলে ঘরে পারিবারিক সম্পর্কে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়।যেমন এখন যারা চাকরীজীবি নয়,তাদের সাথে পরিবারের অন্যান্য সদস্যের,বিশেষ করে ঘরের কর্তার সাথে মন-মালিন্য,বাক-বিতন্ডা হয়,আবার অকারণে বকা দেয় কখনো।


সবকিছুর মূল হলো ঘরে আবদ্ধ থাকার কারণে প্রত্যেকটা মানুষ নিজ নিজ ব্যাক্তিত্বে স্থির থাকতে পারে না,সবকিছুতে বিরক্তি চলে আসে,হতাশা আর একাকিত্ব মাথায় জেঁকে বসে,যার কারণে মানসিকভাবে অসুস্থ্য হয়ে যায়।আর এই অসুস্থ্যতা কাটাতে মানুষ মরিয়া  হয়ে উঠে,নীতি-নৈতিকতা ভুলে যায় কখনো।সাধারণ একটা ঘটনা বলছি•••
6,7 দিন আগে বিশ্বের সবচেয়ে বড় পর্ণ সাইট পর্ণ-হাব তাদের একটি জরিপ প্রকাশ করেছে।তারা বলেছে,গত কিছুদিনের কোয়ারেন্টিনে তাদের সাইটের ভিউয়ার তথা পর্ণ ভিজিটর কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বিশ্বে সর্বাধিক পর্ণ দেখছে বিশ্বের দ্বীতিয় বৃহত্তম জনসংখ্যার দেশ ভারতের জনগণ।

এর থেকে কী বুঝলেন? "অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা" কথাটির প্রমাণ?নাকি আরো কিছু কারণ আছে?


হ্যাঁ,সব থেকে বড় কারণ হলো হতাশা।শত শত জরিপ,গবেষণার মাধ্যমে সমাজবিজ্ঞানী এবং মনোবিজ্ঞানীগণ কর্তৃক স্বীকৃত উক্তি হলো, নীল ছবি দেখার অন্যতম কারণ হাতাশা।হতাশাগ্রস্থ একজন মানুষকে দিয়ে খুন করানো অস্বাভাবিক কিছু নয়।আপনি দেখবেন অধিকাংশ সন্ত্রাসী পাপের জগতে আসার পেছনে আছে হতাশা।তবে তারা প্রত্যেকেই হাত জোড় করে আকুতি করেন যেন কেউ সেই জগতে না যায়।


করোনা কেড়ে নেবে সব হাসিখুশি!

করোনা কেড়ে নেবে সব হাসিখুশি!

ANALYSING THE WORLD
যুক্তরাষ্ট্রে যখন করোনা পৌঁছায়নি,তখন থেকেই মার্কিনিরা ব্যক্তিগত অস্ত্র কেনা শুরু করেছে।ভাবছেন করোনা মহামারির সংক্রমণের সাথে অস্ত্রের কী সম্পর্ক???

করোনা কেড়ে নেবে সব হাসিখুশি!

আমরা উন্নয়নশীল দেশের অদূরদর্শী এবং অসচেতন সমাজে বসে মৃত্যু দরজায় কড়া নাড়ার আগপর্যন্ত কিছু ভাবতে পারিনা।কিন্তু বিশ্বব্যাপী করোনার সংক্রমণ শুরু হওয়া,বিশেষ করে দক্ষিণ আমেরিকায় করোনার প্রবেশের পরপরই মার্কিনিরা প্রস্তুতি নেয়া শুরু করে।এই প্রস্তুতির মধ্যে সবচেয়ে অদ্ভূত বিষয় হলো সকলের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক অস্ত্র কেনার ধুম•••


এর কারণ হলো,মার্কিনিরা আশা করছে ভবিষ্যতে মহামারি প্রকট আকার ধারণ করলে নির্দিষ্ট সময়ের পর যখন দেশে খাদ্য ঘাটতি দেখা দিবে,মানুষ পকেটে ডলার নিয়ে ঘুরবে কিন্তু পণ্য পাবে না,তখন মানুষ কী করবে???
শুরু হবে একের অন্যের ঘরে হানা দেয়া,লুটপাট,ডাকাতি•••
আর সেই পরিস্থিতির প্রস্তুতি হিসেবে ব্যক্তিগত অস্ত্র সংগ্রহ করেছে সবাই।একেই বলে দূরদর্শীতা।ঘটনা কতটুকু পর্যন্ত গড়াতে পারে তারা আন্দাজ করে নিয়ে প্রস্তুতি নিয়েছে তারা।


ইতোমধ্যেই আমরা ইতালি স্পেনের মত দেশগুলোতে দেখছি যে সামান্য টয়লেট টিস্যুর জন্যে শহরে হন্যে হয়ে ঘুরছে মানুষ।
আর আমাদের দেশ? দিন কয়েক না যেতেই বিভিন্ন জায়গায় হানাহানি বেড়েছে,অসন্তুষ মানুষের মনে দানা বাঁধছে।আর অলস মস্তিষ্ক তো শয়তানের কারখানা,সেখানে যদি সেই মস্তিষ্ক বাঙালির হয় তাহলে বুঝতেই পারছেন কী হবে•••