-->

নারী দিবসে কিছু কথা | বিশ্বের সব নারী সর্বস্থানে নিরাপদ হোক•••

■ বাংলাদেশে আরো দশ বছর কমপক্ষে নারী কোটা সবক্ষেত্রে রাখা দরকার;বিশেষ করে প্রাইমারি স্কুল এবং সরকারি প্রশিক্ষণ প্রদানে।কারণ বাংলাদেশ এখনো সেই অবস্থানে যায়নি যেখানে নারীর ক্ষমতায়ন কমিয়ে দিতে হবে।

নারী দিবসে কিছু কথা


■ বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত প্রতি মুহূর্তে শত শত নারী নির্যাতিত হয়।বিশ্বাস হয়না?তাহলে অফিস সময়ে, সকালে এবং সন্ধ্যায় ও রাত দশটায় গার্মেন্টসের ওভারটাইম শেষের পর জনবহুল মোড়গুলোতে মাত্র দশ মিনিট দাড়ান,লোকাল গাড়িগুলোতে উঠুন,অনেক কিছুই দেখবেন।অধিকাংশ সময় দেখবেন কিছু মধ্যবয়সি লোক উৎ পেতে থাকে নারীদের হেনস্থা করার জন্যে।

যাদের স্বামী নেই,ঘরের একমাত্র অবলম্বন,কিংবা অভাবগ্রস্ত পরিবারের সন্তান,তাদের প্রতিনিয়ত এই কাপুরুষদের হেনস্থা মুখ বুজে সহ্য করতে হয়,কখনো ঘরে এসে নির্যাতিতরা বাথরুমে পরিবারের অগোচরে লুকিয়ে কান্না করে,কখনো বা হয়ত প্রতিবাদ করার সুযোগ পায়•••


কিন্তু আমাদের দেশে এত আইন,জরুরি নাম্বার,এসবকিছু সত্ত্বেও নারী হেনস্থাটা বন্ধ হচ্ছে না কেন???
আমার মতে এর সমাধান হলো তিনটি।
☆1- বেকারত্ব শুন্যের কোটায় নামিয়ে আনা।
☆2- দেশে যেকোন মূল্যে পর্ণ সাইটগুলোর প্রবেশ চীরতরে বন্ধ করে দেয়া।
☆3- জনগণকে শিক্ষিত করা।

এগুলো ছাড়া কখনো একটা দেশ থেকে যৌন নির্যাতন,ধর্ষণ বিলুপ্ত করা যাবে না।ধর্ষণের শাস্তি যতই নৃশংসভাবে দিন,কোদিন কমবে না•••


আপনি দেখবেন যারা গাড়িতে,রাস্তাঘাটে,বাসে নারীদের হেনস্থা করে তারা অধিকাংশই মধ্যবয়সি,বেকার এবং নিরক্ষর(যার অক্ষর জ্ঞানটুকুও নেই)।আর ব্যাস্ত মানুষ কখনো অপ্রয়োজনীয় কাজে সময় দেয়ার সুযোগ পায় না।মানুষের উপর,বিশেষ করে নিম্ন শ্রেণীর উপর পর্ণোগ্রাফির প্রভাব কত বেশি এবং কত ভয়ঙ্কর,নারীদের তারা কী মনে করে সেটা জানতে গবেষণা প্রতিবেদনগুলো পড়ে দেখবেন সময় করে।

নারী দিবস
নারী দিবস


সেটা হলো সব ধরণের হেনস্থা এবং ভয়/অনিশ্চয়তা থেকে বাঁচতে অনলাইন ভিত্তিক ক্যারিয়ার গড়ে তুলোন,ঘরে বসে বিশ্বে রাজ করুন।হয়ে যেতে পারেন একজন ইথিক্যাল হ্যাকার,হতে পারেন দক্ষ প্রোগ্রামার,যাদের মাসিক আয় হয় লক্ষের উপরে।তারপর কয়েক বছর পর গাড়ি কিনে ইচ্ছামত যেখানে ইচ্ছা ভ্রমণে যান,কে ধরে রাখতে পারবে আপনাকে?বলুন???
পরিশেষে নারীদের ফ্রিতে একটা টিপস দেবো-


ভাল একজন প্রোগ্রামারের আন্ডারে কয়েকজন মানুষ কাজ করে,যাদেরকে প্রোগ্রামার কমপক্ষে বিশ হাজার টাকা বেতন অনায়াসে দিতে পারে।আপনি চাইলে বিয়ের পর নিজের জীবনসঙ্গিকেও জীবনের নতুন রাস্তা দেখাতে পারবেন হয়তো এর মাধ্যমে।

তবে উপর্যুক্ত উপদেশটা দেয়ার মানে এই না যে আমি নারীদের ঘরে ঢুকে যেতে বলছি বা নারী নির্যাতনকে ভয় পেতে বলছি।সংগ্রাম করলে কিছুই দমিয়ে রাখতে পারেনা মানুষকে।আমি শুধু তুলনামূলক নিরাপদ একটা ক্যারিয়ার ও জীবনের স্বপ্ন দেখালাম মা-বোনদের।

বিশ্বের সব নারী সর্বস্থানে নিরাপদ হোক•••

ANALYSING THE WORLD

Author & Editor

International Political Analyst and Content Writer.

0 comments:

Post a Comment

Please do not enter any spam link in the comment box.