-->

অস্ত্র কিনছে ভারত! তিন বিলিয়ন ডলারের অত্যাধুনিক অস্ত্র ক্রয়ে চুক্তি!

নতুন করে অস্ত্র কিনছে ভারত।তিন বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র ক্রয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে চুক্তি করেছে মোদি প্রশাসন।

নতুন করে অস্ত্র কিনছে ভারত।তিন বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র ক্রয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে চুক্তি করেছে মোদি প্রশাসন।

 অস্ত্র কিনছে ভারত! তিন বিলিয়ন ডলারের অত্যাধুনিক অস্ত্র ক্রয়ে চুক্তি!

এনারসি নিয়ে উত্তাল ভারতে ট্রাম্পের নিজ দেশের নির্বাচনের আগ মুহূর্তে তড়িঘড়ি করে প্রথমবারের মত ভারত সফর তাৎপর্যবহুল।আর সেই সফর থেকে নিজেদের ফায়দা তুলে নিতে নড়বড়ে মোদিও নিয়েছেন ব্যাপক প্রস্তুতি।ঢেলে সাজানো হয়েছে যাতায়াত পথকে।দুই দিনের যাবতীয় আতিথিয়েতার জন্যে বাজেট করা হয়েছে একশ কোটি রুপি!


ট্রাম্পের এই সফরের কারণ এবং উদ্দেশ্য নিয়ে ভারতের উৎসাহের কারণ জানান দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ভারতীয় সাবেক রাষ্ট্রদূত।তিনি বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ভারতের কুটনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক আগে থেকেই ভাল,তাই এটি নিয়ে নতুন করে সফরের কোন প্রয়োজন নেই।এইবারের চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ভারতের সামরিক উন্নয়ন।

তিন বিলিয়ন ডলারের অত্যাধুনিক অস্ত্র ক্রয়ে চুক্তি!

চুক্তিতে দেখা যায় প্রায় তিন বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তি স্বাক্ষর করলো ভারত।যার মাধ্যমে ভারত তার সামরিক শক্তিকে যথাযথ করে তুলতে পারবে।

গত বছর পাকিস্তানের হামলায় ভারতের দুটি #মিগ_20 বিমান বিধ্বস্ত হয় এবং উইং কমান্ডার পাকিস্তানের হাতে আটক হয়।এরপর থেকেই নড়েচড়ে বসে ভারতের সামরিক বিভাগ এবং নতুনভাবে আকাশ প্রতিরক্ষা বিভাগকে ঢেলে সাজাতে উদ্যোগ নেয়।এই উদ্যোগেরই ফল হলো তিন বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র ক্রয়।যার মধ্যে রয়েছে কয়েক ধরনের হেলিকপ্টার ক্ষেপণাস্ত্র ও উন্নত প্রযুক্তির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।




ভারতের এই অস্ত্রচুক্তির মধ্যে রয়েছে দুটি MA-60 নামক বিশ্বের সর্বাধুনিক যুদ্ধবিমান যা সমুদ্রসীমায় নিরাপত্তা জোরদার ও যেকোন অভিযানে অংশ নিতে পারদর্শী।এছাড়াও এর সাথে থাকবে হেলফায়ার ও টর্পেডো।আক্রমণ বিভাগকে আরো কার্যকর করতে কেনা হচ্ছে ছয়টি অ্যাপাচি এটাকিং হেলিকপ্টার।আকাশ ছাড়াও ভূমি প্রতিরক্ষা বিভাগকে শক্তিশালী করতেও ক্রয় করা হচ্ছে এমরাম ও স্ট্রিঙ্গারের মতো বিধ্বংসি ক্ষেপণাস্ত্র ও পাঁচটি রাডার সিস্টেম।


পার্শবর্তী চীন ও পাকিস্তানকে প্রতিরোধ করতে এবং সীমান্তে নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করতে ভারত তার সামরিক উন্নয়নে আকস্মিক দ্রুততা আনছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।কিছুদিন আগে ভারত আরেকটি ঘোষণা দিয়েছিল যে তারা টানা চল্লিশ দিন যুদ্ধ করার মত সক্ষমতা অর্জনে এবং দশ দিনের স্থলযুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তানকে পরাজিত করার লক্ষ্যে কাজ করছে।


তবে ট্রাম্পের ভারত সফরকে হিন্দুস্থান নিজেদের পক্ষে যেভাবে প্রচার করছে তাতে বাঁধ সাধতে ট্রাম্প আহমেদাবাদ স্টেডিয়ামে দাঁড়িয়ে বললেন,"আমার সরকার পাকিস্তানের সাথে হাত মিলিয়ে সীমান্তে সন্ত্রাস দমনে কার্যকরী পদক্ষেপ নিয়েছে;পাকিস্তানের সঙ্গে আমাদের খুব ভাল সম্পর্ক।তাদের সাথে মিলে কাজ করায় বড় ধরনের সাফল্যের দেখা দিয়েছে।"

 অস্ত্র কিনছে ভারত
 অস্ত্র কিনছে ভারত

ভারত সফরে এসে পাকিস্তান নিয়ে ট্রাম্পের এমন বক্তব্যকে পাকিস্তান নিজের কুটনৈতিক জয় হিসেবেই দেখছে আপাতত।এটি সত্য যে, যে পাকিস্তানকে ভারত সমস্যা হিসেবে দেখেছিল আজ পুরো বিশ্ব সেই পাকিস্তানকে সমস্যা সমাধানের পথ হিসেবে দেখছে।কাশ্মীর এবং আফগান যুদ্ধে এবং ইরান ও তুরষ্কের সাথে সম্পর্কে কেমন পরিবর্তন পাকিস্তান ঘটাচ্ছে এবং তাতে বিশ্বরাজনীতি কোনদিকে যাচ্ছে তা এখন বিশ্ব নেতাদের আলোচ্য বিষয়।এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর পাকিস্তানের কুটনৈতিক অগ্রসরতা দেখা যাচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের গুরুত্ব জানান দিতে সক্ষম হয়েছে তারা।


নির্বাচনের আগমুহূর্তে সফরের মাধ্যমে ট্রাম্প এশিয়াতে নিজের অবস্থান পোক্ত করে নিলেন যেন।তিনি একাধারে ভারতের সাথে একটি বিশাল অস্ত্রচুক্তির মাধ্যমে নিজ দেশকে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান করলেন,ভারতকে হাতে নিলেন,পাশাপাশি পাকিস্তানে নিজের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করলেন।ভারত থেকে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিকভাবে উপকৃত হলেও পাকিস্তানের পক্ষেও কথা বলার কারণ হলো আফগান যুদ্ধে পাকিস্তানের সহায়তা পাওয়া।

ANALYSING THE WORLD

Author & Editor

International Political Analyst and Content Writer.

0 comments:

Post a Comment

Please do not enter any spam link in the comment box.