-->
 করোনা ভাইরাসের ভয়ঙ্কর রহস্য | COVID19 | NCOV-19

করোনা ভাইরাসের ভয়ঙ্কর রহস্য | COVID19 | NCOV-19

ANALYSING THE WORLD
করোনা ভাইরাস হ'ল ভাইরাসগুলির একটি পরিবার যা স্তন্যপায়ী প্রাণীর জন্য রয়েছে যা স্তন্যপায়ী এবং পাখিগুলিতে সম্ভাব্য মারাত্মক রোগের কারণ করে। মানুষের মধ্যে এগুলি সাধারণত সংক্রামিত ব্যক্তিদের দ্বারা উত্পাদিত তরল বায়ুবাহিত ফোঁটাগুলির মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

করোনা ভাইরাসের ভয়ঙ্কর রহস্য


বিশ্বে তোলপাড় সৃষ্টিকারী মারণঘাতী ভাইরাস করোনা নিরাময়ে কোন ভ্যাক্সিন এখনো কাজ করছে না।অসস্ট্রেলিয়ার গবেষকরা যদিও ভ্যাক্সিন আবিষ্কারের দাবি করেছে,তবে তা এখনো স্বীকৃত হয়নি এবং প্রয়োগ করা হচ্ছে না কোথাও।বিশ্বব্যাপী মানুষ মরছে অকাতরে,যেহেতু এই রোগের সঠিক কোন ওষুধ নেই।সবচেয়ে বড় কথা এই রোগ কোন ব্যাক্তির মাঝে আছে কিনা তা বোঝার আগেই অন্যের মাঝে সে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে।


এই ভাইরাসে আক্রান্ত মৃতের সংখ্যা চীন সরকার 200 বললেও সেখানকার অধিবাসীরা বলছে মূল সংখ্যা কয়েক হাজার। বিজ্ঞানীরা এই ভাইরাসে বিশ্বব্যাপী সাড়ে ছয় কোটি মানুষ মারা যাওয়ার আশঙ্কা করছেন।এখন আসি কোথায় কিভাবে এই ভাইরাসের জন্ম এবং কী উদ্দেশ্যে এর সৃষ্টি•••


করোনা ভাইরাসের রহস্য উদঘাটনে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য! ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর গবেষকরা জানিয়েছেন শক্তিশালী বায়োলজিক্যাল অস্ত্র তৈরি করতে গিয়ে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে।চীনের ওহান শরের জৈব রাসায়নিক মরণাস্ত্র তৈরির কারখানা বয়োসেফ্টি_লেভেল_4 থেকে অসাবধানতাবশত এই ভাইরাস ছড়িয়েছে।জৈব রাসায়নিক অস্ত্র তৈরি নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে এই ঘটনা ঘটিয়েছেন চীনের সামরিক বিজ্ঞানীরা।

সিরিয়ার পারমাণবিক ইতিহাস

সিরিয়ার পারমাণবিক ইতিহাস

ANALYSING THE WORLD

আজ আমরা যুদ্ধ-বিদ্ধস্ত দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া যে সিরিয়াকে দেখছি, তার অতিত কেমন ছিল? তাদের সামরিক সক্ষমতা কেমন ছিল এবং তারা কি কখনো ইরানের মতো পরমাণু বোমা বানাতে চেয়েছিল? আসুন জেনে নেই...

সিরিয়ার পারমাণবিক ইতিহাস


আজ আমরা যুদ্ধ-বিদ্ধস্ত দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া  যে সিরিয়াকে দেখছি,তার অতিত কেমন ছিলতাদের সামরিক সক্ষমতা কেমন ছিল এবং তারা কি কখনো ইরানের মতো পরমাণু বোমা বানাতে চেয়েছিলআসুন জেনে নেই•••


গৃহযুদ্ধের আগে মধ্যপ্রাচ্যে সিরিয়া ছিল ইসরায়েলের অন্যতম সক্ষম শত্রু সিরিয়ার ছিল সাধারণ অস্ত্রের ভান্ডারের পাশাপাশি বায়োলজিক্যাল অস্ত্র,যা গৃহযুদ্ধে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে বিদ্রোহীদের ওপর সরকারী বাহিনী প্রয়োগ করেছিল।এছাড়া সিরিয়ার ইতিহাসে মিশর,সৌদির মতো ইসরায়েলের সাথে হাত মেলানোর কোন রেকর্ড নেই।তারা সর্বদাই চড়া গলায় ইসরায়েলের অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলেছে,পাল্টা হামলা করেছে,এবং ইসরায়েলের সাথে টেক্কা দিতে তারাও কয়েক দশক আগে পরমাণু বোমা তৈরির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছিল,কিন্তু সেই কর্মসূচির কী হলো?কখন কিভাবে কার মাধ্যমে কোথায় এই মরণাস্ত্র তৈরি করতে চেষ্টা করেছিল,চলুন ইতিহাসের পাতা উল্টাই•••


  • ২০০৭ সালে লন্ডনে সিরিয়ান এক সিনিয়র অফিসারের লেপটপ থেকে ইসরায়েল প্রথম নিশ্চিত হতে পারে সিরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পর্কে।তথ্যাদি থেকে দেখা গেল সিরিয়া সরকার মরুভূমির প্রত্যন্ত এলাকায় পারমাণবিক কেন্দ্র স্থাপন চুড়ান্ত করেছে।উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠকের ছবি তথ্য লেপটপে ছিল।আরও ছিল উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কেন্দ্রের প্রধান সিরিয়ান পারমাণবিক কেন্দ্রের প্রধান ইব্রাহিম ওথামের ছবি।

কিছুদিনের মধ্যে তথ্য যাচাই বাছাই গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ইসরায়েল নিশ্চিত হলো যে সিরিয়ার সরকার প্রচন্ড গোপনীয়তার সাথে মরুভূমির দির আল জুর এলাকায় পরমাণু কেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।তথ্যাদি ঘেঁটে আশ্চর্যের বিষয় যা পাওয়া গেল তা হলো এই; পরমাণু কার্যক্রমের পরিকল্পনাকারী উত্তর কোরিয়া এবং এর পেছনে অর্থ ঢালছে ইরান।


ইরানের পারমাণবিক ইতিহাস

ইরানের পারমাণবিক ইতিহাস

ANALYSING THE WORLD
২০১৫ সালে ইরানের সাথে পারমাণবিক চুক্তি করেছিল বিশ্বের ছয়টি পরাশক্তি। সেসময় ওবামা প্রশাসন আত্মবিশ্বাসী ছিল যে ইরান কোনও গোপন পারমাণবিক কর্মকাণ্ড চালাবে না, ইরানও তা নিশ্চিত করে

ইরানের পারমাণবিক ইতিহাস


বিশ্ব আজ যে ইরানকে নিয়ে উত্তাল,যার কারণে বিশ্লেষকরা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ আশঙ্কা করছেন। ইরানের যে পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে বিশ্ব নেতারা সর্বদাই সরব এবং আতঙ্কিত,আসুন জেনে নিই তার ইতিহাস•••

ইরানের যে পারমাণবিক কর্মসূচি চলছে বিভিন্ন মাত্রায়তার শুরু কখনএবং কাদের সহযোগিতায় এটি সম্পাদিত হয়েছেযুগ যুগ ধরে যদি এই কর্মসূচি চলেতাহলে কেন এখনো তারা পারমাণবিক বোমার অধিকারী হতে পারল না???
EVER BEST BOOKS for LIFE-জীবন পাল্টে দেওয়া ২০ টি বই

EVER BEST BOOKS for LIFE-জীবন পাল্টে দেওয়া ২০ টি বই

ANALYSING THE WORLD

বিশটি বইয়ের তালিকা করার ক্ষেত্রে প্রধান ধর্মগ্রন্থগুলো নিয়ে আসা হয়নি।তবে অনেকেই লাও জু’র ‘তাও তে চিং’কে ধর্ম ও দর্শনের মাঝামাঝিই রাখে। আর মহাভারতেরই একটি অংশ গীতা।

জীবন পাল্টে দেওয়া ২০ টি বই


জীবন পাল্টে দেয়া বা দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টে দেয়া বইয়ের তালিকা করতে বললে এখন আমি যেটা করবো আগামী একছর বা দশবছর পর অনেকটাই পরিবর্তিত হয়ে যাবে, অনেক যোগ-বিয়োগ হবে। তেমনি আজ থেকে বছর দুয়েক আগে বললেও যে তালিকা হতো সেটা এখনকার সাথে পুরোপুরি মিলবে না। তবে কিছু কিছু বই সারাজীবন তালিকাতে থাকারই সম্ভাবনা বেশি।


তালিকা করার ক্ষেত্রে ধর্মীয় মহাগ্রন্থগুলোর রাখিনি।তবে ভূমিকাতে তাদের নাম নিয়ে রাখলাম। পবিত্র কুরআন, পবিত্র বাইবেল, পবিত্র গীতা আমার পড়া তিনটি অসাধারণ গ্রন্থ। প্রত্যেকটিই বহুবার পড়া। শত শত বছর ধরে মানুষের জীবন পাল্টে দেওয়া থেকে শুরু করে জীবনের নতুন অর্থ নির্মাণের ক্ষেত্রে এগুলোর ভূমিকা অস্বীকার করার উপায় নেই।অন্যান্য ধর্মগ্রন্থগুলোও ঠিক এমন প্রভাবশালী হবে বলেই মনে করি। প্রত্যেকটি ধর্মের প্রধান গ্রন্থগুলো একে একে পড়ে শেষ করার আশা রাখি।

সোফির জগৎ - জি এইচ হাবিব

সোফির জগৎ - জি এইচ হাবিব

ANALYSING THE WORLD

ইয়স্তেন গার্ডার সোফি অ্যামুন্ডসেন। চৌদ্দ বছর বয়েসী এই নরওয়েজিয় কিশোরী একদিন বাসার ডাকবাক্সে উঁকি মেরে দেখতে পায় সেখানে কে যেন অবাক করা দুটো চিঠি রেখে গেছে। চিঠি দুটোতে শুধু দুটো প্রশ্ন লেখা : 'তুমি কে?' আর 'পৃথিবীটা কোথা থেকে এলো?

সোফির জগৎ


পাশ্চাত্য দর্শনের ইতাস নির্ভর এক অসাধারণ,বহুল পঠিত উপন্যাস।এটি এমন একটি বই,যেটিতে বিখ্যাত অনুবাদক জি এইচ হাবিব এবং ভূমিকা লেখক ড. হরেন্দ্র কান্তি দে মূল উপন্যাসের বাইরে নিজ থেকে বইয়ের শুরুতে কিছু অমূল্য রত্ন ঢেলে দিয়েছেন।

বইটি বহুল পঠিত এবং বিখ্যাত হওয়ার কিছু কারণ রয়েছে।
#প্রথমত, বইটি উপন্যাসের ছলে লেখা।দর্শনকে পাঠকের নিকট উপস্থাপন করার একটি অভিনব ও দুঃসাহসিক প্রচেষ্টা।

#দ্বিতীয়ত, প্রধান চরিত্রের বয়স চৌদ্দ বছর নির্ধারণ করেছেন লেখক।ফলে তাকে প্রতিটি বিষয় বোঝাতে সহজ-সরল ও প্রাঞ্জল ভাষা ব্যবহার করেছেন এবং যথেষ্ট উদাহরণ টেনেছেন বিষয়ভিত্তিক।

#তৃতীয়ত, বইটি শুধু উপন্যাস আকারেই লিখা নয়,এখানে রয়েছে রহস্যও,যার কারণে কৌতুহলের অভাবও থাকে না•••

এটি এমন একটি বই যেটি 53 টি ভাষায় অনূদিত এবং সাড়ে তিন কোটির বেশি বিক্রিত।

ইয়াবা vs জাতি

ইয়াবা vs জাতি

ANALYSING THE WORLD

আমাদের সমাজের আপডেটেড মোস্ট পপুলার নেশার নাম হল ইয়াবা।অন্যান্য ড্রাগের তুলনায় এই ড্রাগটা খুব অল্প সময়েই আমাদের সমাজের যুবক/কিশোরদের মাঝে প্রিয় হয়ে ওঠছে।নেশাখোর যেহেতু আছে,ড্রাগও থাকবে।অভাব যেহেতু আছে,অপরাধও থাকবে•••

ইয়াবা vs জাতি


এই ইয়াবা আমাদের শিক্ষিত যুবক সমাজে খুব দ্রুতই প্রবেশ করছে।শুধু ছেলে নয়,ঢাকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েরাও সমানে ইয়াবা সেবন করছে।ইউটিউব ভর্তি ভিডিও রয়েছে মেয়েদের ইয়াবা সেবনের•••

বিশেষজ্ঞদের মতে,এই এডিকটেড মেয়েগুলো সংসার করতে ব্যর্থ হবে এবং বিকলাঙ্গ সন্তান জন্ম দেবে।
ভার্সিটি থেকে শুরু করে স্কুলের 7/8 এর ছেলেও ইয়াবা আসক্ত!যারা কিনা জাতির ভবিষ্যৎ কর্ণধার•••
বড়রা ছোটদেরকে বিভিন্নভাবে কাজে লাগিয়ে এই নেশায় জড়াচ্ছে নিজ স্বার্থে।ব্যবসায়ীরা স্কুল পড়ুয়া ছেলেদেরকে দিয়েই বিভিন্ন এলাকায় সাপ্লাই দিচ্ছে এই ড্রাগ।এটা দেখতে টেবলেটের মত হওয়ায় বহন করা সহজ এবং ঔষধ হিসেবেই খাওয়া শেখানো হচ্ছে ছোটদেরকে•••


আর সেই এডিকটেড কালকের দেখা ছোট ছেলেটাও দিন দিন ভয়ঙ্কর সব কাজে জড়িয়ে যেতে দেখছি•••
যে কিছুদিন আগেও আদর্শ ছেলে ছিল সে আজ মায়ের মুখে ঘুষি মেরে মাকে রক্তাক্ত করছে টাকার জন্যে!অথচ ছেলেটা পড়ে মাত্র ক্লাস এইটে•••
একটা ইয়াবা টেবলেট সম্ভবত 200 টাকা।ভেজালটা হয়ত 100 টাকা।একটা স্কুল ছাত্রকে তার মা সাধারণত 10/20 টাকাই দেবে।কিন্তু সেই ছেলের কয়েকটা ইয়াবা কিনতে দরকার দৈনিক 5/600!বাড়তি টাকার জন্যে সে সবকিছুই করতে পারে•••

শিক্ষা ও শিক্ষিত

শিক্ষা ও শিক্ষিত

ANALYSING THE WORLD

শিক্ষিত বলতে আমরা সবাই যা বুঝি তা হল,যত ডিগ্রি/শিক্ষা,তত শিক্ষিত;এই ধারণা আমাদের মাথায় গেঁথে গেছে।কিন্তু শিক্ষা বলতে মূলত বোঝায় আচরণের অপেক্ষাকৃত স্থায়ী ও প্রত্যাশিত পরিবর্তন।আর মূল উদ্দেশ্য হল মূল্যবোধ জাগানো এবং ব্যক্তির গুণাবলীর যথার্থ বিকাশ।

শিক্ষা ও শিক্ষিত


উদ্দেশ্য এবং সংজ্ঞায় কোথাও বই-পুস্তকের শিক্ষার কথা বলা হয়নি,অথচ আমরা মানুষের শিক্ষার পরিমাপ করি ডিগ্রি দিয়ে।যদি আমরা মানুষের আচরণ দ্বারা তাকে সম্মান দেয়া শিখতাম তাহলে এই সমাজ/দেশ অন্যরকম হত,যেখানে থাকত সুন্দর মনের,উত্তম চরিত্রের জনগণ।শিক্ষিত মানুষ বিনয়ী হবেন এটাই কাম্য,কিন্তু তিনি শিক্ষিত বলে নিম্নস্তরের লোকদের সাথে রূঢ় আচরণ করবেন,শিক্ষিত শ্রেণীর সাথে ভাল ব্যবহার করবেন,এটা কখনো কাম্য নয়।তখন বুঝে নিতে হবে তার মাঝে শিক্ষার কোন প্রভাবই পড়েনি,বরং তিনি শিক্ষাকে কুপথে ব্যবহার করছেন।একজন শিক্ষিত লোক যখন রিকশাওয়ালার সাথে বিনয়ের সাথে সম্মান দিয়ে কথা বলে,তখন রিকশাওয়ালা ভাবেন,শিক্ষিত লোকেরা কতইনা ভাল,আমি রিকশাওয়ালার সাথেই কত সুন্দর ব্যবহার করল,আমার শ্রেণীর হয়েও অন্য রিকশাওয়লারা কখনো এত সুন্দর ব্যবহার করেনি যতটা শিক্ষিত লোকটি করলেন।আমি আমার সন্তানদের শিক্ষিত করব,পড়াব•••

আর একজন ভার্সিটি পড়ুয়া ছেলে যখন তাঁকে নীচ ভেবে খারাপ ব্যবহার করে,তখন তিনি মুখ বুঝে সহ্য করলেও ভাবেন,শিক্ষিত লোকেরা কত নিকৃষ্ট,বড়জনের সম্মান পর্যন্ত জানে না,দুর্ব্যবহারই তাদের ভূষণ,আমার সন্তানদের পড়ালেখা শেখালে সেও একদিন আমার সাথে এমন আচরণ করবে,এর চেয়ে পড়ালেখা না করানোই ভাল•••
সুতরাং বোঝা উচিত যে,একজন মানুষের আচরণের প্রভাব অনেকে উপরেই পড়ে।
শিক্ষা ও শিক্ষিত
শিক্ষা ও শিক্ষিত
আমি মনেকরি,শিক্ষার অপর নাম বিনয়,আর যিনি শিক্ষিত হবেন তিনি বিনয়ী হবেন•••
বইয়েতো আছেই•••"দুর্জন বিদ্বান হলেও পরিত্যাজ্য।"
দুর্জনকে পরিত্যাগ করুন,অন্যকেও পরিত্যাগ করতে শেখান,তাহলে সমাজের দুর্জন লোকদের থেকে দুর্জনতা পালাবে•••
মধ্যপ্রাচ্যে কাল মেঘের ঘনঘটা

মধ্যপ্রাচ্যে কাল মেঘের ঘনঘটা

ANALYSING THE WORLD
বর্তমান আন্তর্জাতিক কেলমার ভিত্তিটা হলো মধ্যপ্রাচ্য,আরো খোলাসা করে বললে বলব সিরিয়া••• একদিকে সৌদি যুবরাজ সাংস্কৃতিক বিপ্লবের ঘোষণা দিলেন,অপরদিকে সিরিয়া ও ইরানে যুদ্ধের দামামা বেজে উঠছে।

মধ্যপ্রাচ্যে কাল মেঘের ঘনঘটা


কয়েক দিনের মধ্যে সৌদি সাংস্কৃতিক বিপ্লবের অন্যতম পর্যায় বাস্তবায়ন হচ্ছে গতবছর ঘোষণাকৃত নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি বাস্তবায়েনের মাধ্যমে•••
এছাড়াও সিনেমা হলের উদ্ধোধন ইতোমধ্যেই ব্লকবাস্টার হিট হলিউড সিনেমা "ব্ল্যাক পেনথার" প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে করা হয়েছে•••


এদিকে সিরিয়ার অধিকাংশই বর্তমানে সরকারের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে,সুতরাং যারা এতদিন সরকারকে সাপোর্ট দিয়েছে,ইরান-রাশিয়ার নিজেদের হিসাব বা প্রাপ্যটা বুঝে নেয়ার সময়ও এসে গেছে।আধিপত্য বিস্তারের পালায় এখন রাশিয়া সুর পাল্টে ইরানকে সীমান্ত এলাকা থেকে সেনা সরিয়ে নিতে বলেছে যা কখনো সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে ইরান।সিরিয়ায় ইরান ও হিজবুল্লাহর ক্ষমতা হ্রাস করতে কিছুদিন আগে ইসরাইলের সাথে রাশিয়া একটি চুক্তি পাকাপোক্ত করেছে বলে জানায় ইসরাইলি গণমাধ্যম।


সিরিয়ায় ইরানের অবস্থান সরিয়ে দেয়ার বিনিময়ে সিরিয়া সরকারকে অধিকৃত গোলান মালভূমি ফিরিয়ে দেবে বলে ইসরাইল প্রস্তাব দিয়েছে বলে জানা গেছে।


কয়েকদিন আগে সিরিয়ায় ইরানের অবস্থানকে সহ্য করা হবে না জানিয়ে ইরানের সৈন্য অবস্থানরত সকল স্থানে হামলা চালানোর ঘোষণা দিয়েছে ইসরাইল।কিছুদিন আগে ইসরাইলের একটি ড্রোন ভূপাতিত করার জেরে ইসরাইল ইরানি সেনাদের উপর ব্যপক হামলা চালিয়ে চার জন সেনা হত্যা করে,যার সমুচিত শিক্ষা ইরান দেবে বলে হুঁশিয়ার করেছে।


বক্তব্য ও দক্ষতা

বক্তব্য ও দক্ষতা

ANALYSING THE WORLD
মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলাটা অনেক কঠিন হলেও অনেকেই বলে থাকে নিজের ইচ্ছামত জগাখিচুড়ি বানিয়ে,মানুষের উপর তার প্রভাব যাইহোক না কেন•••


বক্তব্য ও দক্ষতা


তবে ঐ পাবলিক স্পিকিং এর দাম আছে যার মাধ্যমে মানুষ অল্প সময়ের মধ্যেই মোহিত হয়ে যায়।মোহিত করতে যিনি যত অল্প সময় নেন তিনি তত সেরা।এক্ষেত্রে আমাদের সমাজে কিছু এমন মানুষ রয়েছে যাদেরকে সুপ্ত প্রতিভা বলে আখ্যায়িত করা যায়,যারা অনেক বড় আন্তর্জাতিক বক্তার সমান দক্ষতা রাখে বলে মনেকরি আমি•••
বর্তমানে বাঙালি কিছু বক্তাও রাস্তার ঔষধ বিক্রেতা,বাস-ট্রেনে রুমাল/পুস্তক বিক্রেতাদের ভালভাবে খেয়াল করতে বলেন।তারা অল্প সময়ের মধ্যেই কিছু কথা বলে আপনাকে মোহিত করে নিজে ব্যবসা করে চলে যায়,এটা একটা শ্রেষ্ঠ দক্ষতা•••


তবে আমার কাছে বিভিন্ন পেশার এইসব মানুষগুলোর মাঝে সেরা মনেহয়েছে সাপের খেলা যারা দেখায় তাদেরকে•••

তারা প্রথমে যেকোন জায়গায় সাপটি ছেড়ে দেবে,সাপকে হাতে নিয়ে একটু নাড়াচাড়া করবে,মানুষ একটু জড়ো হলেই সে প্রথমে সাপের কিছু বিষধর প্রজাতি সম্পর্কে ধারণা এবং উক্ত সাপটি কোন জঙ্গল থেকে ধরা হয়েছে বর্ণনা করে আপনার মধ্যে কৌতুহল সৃষ্টি করবে যাতে আপনি ঐ জায়গা থেকে ফালতু কাজ মনেকরে এসে না যান।এরপর সে কিছু গাছ বের করে,বিভিন্ন সমস্যার ও তার সমাধানের কথা বলবে।আমার সবচেয়ে চমৎকার লেগেছে তার কথার স্টাইল এবং সিস্টেম,সে কখনো উঁচু গলায় কথা বলে,হঠাৎ ইমোশনাল হয়ে যায়,আবার এইসব ব্যপারে অবহেলার পরিণতি তথা ভয় দেখায়,তার বক্তব্যের বিভিন্ন পর্যায়ে বিভিন্ন সুরে কথা বলে সে,মোটকথা শ্রোতাদের সে এমনভাবে মোহিত করবে যে সে যা বলবে তাই করে শ্রোতারা।সে বিশ্বাসের কথা বলে সবাইকে একটু গাছের শেকড়ের বিনিময়ে প্রথম সবার থেকে দশ টাকা করে নেবে,পরের বার নিবে একশ টাকা করে,তবে সে বলে দেবে যে একশ টাকাটা সে সবার থেকে নেবে না😅
এভাবে সে বিভিন্ন বচনভঙ্গি আর বাকপটুতার মাধ্যমে পনের/বিশ মিনিটের মধ্যেই আড়াই তিন হাজার টাকা আয় করে চলে যায় সাপের কোনরকম খেলা দেখানো ছাড়াই!

আসলে এরাই প্রকৃত পাবলিক স্পিকার,এদের দক্ষতটাই সেরা•••


বক্তব্য ও দক্ষতা
বক্তব্য ও দক্ষতা

সেরা দক্ষতা বলছি কারণ বর্তমানে বিশ্ব চলছে বাকপটুতার উপর,মুখের উপর।বিখ্যাত কোম্পানিগুলো মার্কেটিং মেনেজার রাখে লাখ টাকা বেতন দিয়ে একমাত্র তাদের পণ্যগুলো বায়ারদের কাছে বিক্রি করে দেয়ার জন্যে।কিছুদিন আগে গার্মেন্টসের মালিক এক বড় ভাইর সাথে কথা বলছিলাম,তার মাঝেই তিনি পাবলিক স্পিকিং এর ব্যপারটা তুলে ধরেন এবং কিছু মার্কেটিং মেনেজারের কথা বলেন,যাদেরকে বিখ্যাত কোম্পানিগুলো খুঁজে শুধুমাত্র তাদের বাকপটুতার জন্যে•••

যেকোনভাবে নিজের কাজ আদায় করে নেয়াটাই প্রকৃত স্মার্টনেস•••👌

একজন স্যারের উপদেশের পর থেকে আমি এসব মানুষকে মনোযোগ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা শুরু করি দুই বছর আগে থেকে,কিভাবে তারা কথা বলে,বক্তব্যের কোন পর্যায়ে কী বলছে এবং তা কোন সুরে,মানুষের মাঝে তার প্রভাব কেমন পড়ছে•••

চুপ থেকে পর্যবেক্ষণ করার মজাটাও আলাদা,করে দেখতে পারেন•••
তবে এই মজা নেয়াটা যাতে নেশা হয়ে না যায়,তাহলে আমার দেখা কিছু নিমাত্রা মানুষরূপে অসামাজিক হয়ে যেতে পারেন স্বজনদের কাছে•••
এনজিওর ভূমিকা ও জাগরণ

এনজিওর ভূমিকা ও জাগরণ

ANALYSING THE WORLD
বর্তমানে পথশিশু কিংবা বাস্তুহারাদের নিয়ে কাজ করা অনেক সংগঠন হয়েছে,একসময় এটা ছিল না।কিন্তু যুগের চাহিদা অনুযায়ী একটি দুটি করে অনেক সংগঠনই হচ্ছে দেশে••

এনজিওর ভূমিকা ও জাগরণ


এক্ষেত্রে জাতির উন্নয়নে নতুন আরেকটি বিষয় আমাদের নজরে আনা খুব জরুরী;সেটি হল নৈতিকতা ও স্থান কাল পাত্র ভেদে একজন নাগরিকের আচরণ কী হতে পারে,সুনাগরিকের কাজ কি কি,এসব ব্যপারে কাজ করতে,মানুষকে সচেতন করতে করণীয় সম্পর্কে নিজেরা গবেষণা করে তা মানুষের উপর প্রয়োগ করার জন্য একাধিক সংগঠন দরকার•••
এবং এর প্রয়োজনীয়তা অনেক অনেক বেশি আমাদের সমাজ,শহর এবং দেশে•••


এটা আপনি বুঝতে পারবেন যখন কোন সেমিনারে দাঁড়িয়েই একজন বাঙ্গালী টেক জার্নালিস্ট বলবে,"বাঙ্গালীর কথা বলতে চাইনা আমি,কিন্তু বিদেশী মানুষগুলো অনেক অনেক ভাল!তারা অনলাইনে কিংবা মার্কেটে আমার যেকোন কাজকে সহযোগীতা করে,খারাপ হলে সুন্দরভাবে শুধরে দেয় যেখানে বাঙ্গালীরা জানে শুধু হিংসা/ঘৃণা/সমালোচনা করতে"


একসময় মানুষ ভাবতো পথশিশুদের নিয়ে কিভাবে কাজ করে আবার?তাদের নিয়ে আবার সংগঠনও হয়! এমন কিছু বিস্ময়কর ধারণা ছিল আমাদের।কিন্তু এটা এখন সাধারণ,এমনকি প্রতিটি সংগঠন ধীরে ধীরে অনেক শিশুর জীবনকে আলোকিত করেছে,তাদের এই যত্ন নেয়াটা যে কত আনন্দদায়ক তা আপনি বুঝতে পারবেন যখন কোন পথশিশুকে সাহায্যকারী কোন সংগঠনের কাজ কেমন লেগেছে বলে করা প্রশ্নের উত্তরে ঐ সংগঠনের কোন ভাইয়ের নাম বলে কেঁদে দেয় সে!তখন আপনি অনুভব করতে পারবেন একটা পথশিশুর জীবনে কত বড় ভূমিকা রাখতে পারে কোন সংগঠনের একজন কর্মী•••

বক্তব্য ও দক্ষতা
বক্তব্য ও দক্ষতা
তাই অসম্ভব বলে কিছুই নেই,নাগরিকের দায়িত্ব,নৈতিকতা,বিবেকবোধ ইত্যাদি নিয়ে সচেতনতা ছড়াতে আমাদেরকেই উদ্যোগ নিতে হবে,কেননা উন্নত দেশগুলোর ন্যায় আমাদের স্কুলগুলোতে ছোট থাকেই এসব শিক্ষা দেয়া হয় না।আমি মনেকরি,নাগরিকের দায়িত্ব কি কি,তা অনেক গ্রেজুয়েট নাগরিকও বলতে পারবে না,শতকরা 95% মানুষ পারবে না•••

শুধু চিকামারা কার্যক্রমের মাধ্যমে শহরকে সুন্দর করুন,পরিচ্ছন্ন রাখুন,এটি আপনারই শহর/দেশ;এসব বললেই হবে না,এসব নিয়ে কাজ করতে হবে।এবং আমি মনেকরি একটা সময় সরকারের যথেষ্ট সহযোগীতা পাওয়া যাবে এক্ষেত্রে•••
ব্যক্তিত্ত্ব বনাম ইগো

ব্যক্তিত্ত্ব বনাম ইগো

ANALYSING THE WORLD
আজকাল "ইগো" এর প্রদর্শন এবং অনুকরণ দিন দিন বাড়ছে। প্রতিনিয়ত মানুষ এর অনুকরণে ছোটলোক হয়ে স্বকীয়তা হারিয়ে ফেলছে এবং সার্বিক জীবনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ছে। মডার্ন ছেলেগুলো ইগো মেনটেইন করাকে একটা গুণ মনে করছে বর্তমানে। কিন্তু এর ফলে তারা যে শূন্যের কোটায় পৌঁছাচ্ছে, কত কিছু হারিয়ে ফেলছে তা অনুভব করতে পারছে না•••

ব্যক্তিত্ত্ব বনাম ইগো


ইগো হলো এমন একটি দোষ যার ফলে মানুষ অজান্তেই নিজেকে হিরো ভাবা শুরু করে এবং সীমাহীন আমিত্ব অনুভব করে। এর ফলে মানুষ ধীরে ধীরে যেকোন কিছু শেখার আগ্রহ হারিয়ে অন্ধ হয়ে যায়। এমনকি ব্যক্তি তখন বুঝতে পারে না সে কেন নিজেকে হিরো ভাবছে, তার কী এমন রয়েছে, অন্যের তুলনায় নিজে কতটা উত্তম, কয়টি সদগুণ রয়েছে নিজের মধ্যে। ইর্ষা,অহংকার,বিদ্বেষ ইত্যাদি সবকিছুর তুলনায় ভয়ংকরতম হল এই ইগো!


আপনার ইগো না থাকলে সকলের সাথে সহজেই মিশতে পারবেন, ফলে আপনার যেকোন সময় যেকোন জায়গায় তারা কাজে আসতে পারে, অন্যথায় যতই ইগো দেখিয়ে উঁচু হতে চেষ্টা করবেন, ততই সঙ্গহীন জীবনে নিজেকে আবিষ্কার করবেন। মানুষের সাথে হেসে দুটি কথা বলতে, তাদেরকে একটু খুশি করতে টাকা লাগে না, কিন্তু এর বিনিময়ে যে আনন্দ আপনি পাবেন তা কখনো টাকা দিয়ে কিনতে পারবেন না। ইগো আপন মানুষদের মাঝে দূরত্ব সৃষ্টি করে সম্পর্ক নষ্ট করে দিতেও সময় নেয় না, যা বর্তমানে প্রকট আকার ধারন করেছে। এছাড়াও মানুষকে নিঃসঙ্গ করার পাশাপাশি অনেক ক্ষতিকর প্রভাব রয়েছে এর।


ব্যক্তি জীবনে ইগোর ভয়ংকরতা নিয়ে একজন বিখ্যাত মার্কিন লেখক একটি বই রচনা করেন। বইটির নাম EGO IS THE ENEMY  লেখক RYAN HOLIDAY, এটি বেস্ট সেলার একটি বই এখনো পর্যন্ত।


এতসব ক্ষতির পরেও কেন কিছু মানুষ ইগোর অনুকরণ করে? এর একটি জবাব রয়েছে অবশ্যই! আর সেটি হল "সেল্ফরেসপেক্ট বা আত্মসম্মানবোধ"। এই সেল্ফরেসপেক্টের দোহাই দিয়ে তারা ইগো নামক অসদগুণটিকে ধারণ করে শয়তানের সহচর হয়ে বয়ে বেড়ায়। কিন্তু তারা আত্মসম্মানবোধ কাকে বলে, তা বুঝেনা বলেই একে একটি দোষের সাথে গুলিয়ে ফেলে। প্রকৃত জ্ঞানী বা শিক্ষিত ব্যক্তি কিংবা স্মার্ট লিডারের মধ্যে এই ইগো দেখা যায় না, কারণ তারা জানে যে এর মাধ্যমে লোকসানই হয়, লাভ তো নয়-ই।

কোটা বিলুপ্তি ও ফলাফল

কোটা বিলুপ্তি ও ফলাফল

ANALYSING THE WORLD
ইতোমধ্যে সরকারি চাকরীর প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীতে কোটা ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছে,কিন্তু সংবিধান অনুযায়ী প্রতিবন্ধীদের কোটা যথাযথ সংরক্ষণ করা হবে বলে স্পষ্ট ঘোষণা রয়েছে।আর পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী বা আদিবাসীদের জন্য কোটা বেশি প্রয়োজন হলে পরস্থিতি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে•••


কোটা বিলুপ্তি ও ফলাফল


এখন বলি এর ফলাফল ও ভবিষ্যত নিয়ে।প্রত্যেক বিষয়ের ইতি/নেতিবাচক দিক থাকে।আমাদের জীবনে নেতিবাচকতার তুলনায় ইতিবাচকতার প্রয়োজন বেশি,যা মানুষের মাঝে প্রেষণার সঞ্চার করে।আমরা যদি 'আজকের দিনটা আমার' বলে দিন শুরু করি এবং কাজ করতে থাকি তবে দিন শেষে দেখি দিনটা আমারই ছিল;আর হতাশ হয়ে 'আজ আমার কিছু হবে না,ভাগ্য খারাপ' বলে ঘোষণা দিয়ে দিন শুরু করলে ফলাফলটা তেমনই হয়।

বর্তমানে আমাদের দেশে সুপ্তভাবে "শিক্ষা বিপ্লব" ঘটছে।শিক্ষিত সমাজ এই সম্পর্কে অবগত রয়েছেন এবং মন্তব্য প্রকাশ করেছেন।এমনটা হওয়ারই কথা,কেননা এখন জ্ঞান অর্জনের কোন সীমানা নেই,কোন বাঁধা নেই,সারা বিশ্ব উন্মোক্ত এখন সবার কাছে।ঘরে বসেই যে কেউ বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীদের থিসিস পেপার পড়ে নিজে একটা উন্নত মানের থিসিস লিখতে পারে অনায়াসে।যার ফলে প্রতি বছর হাজারো বাঙ্গালী উন্নত দেশগুলোর স্কুলগুলোতে যাচ্ছে, ব্যাপক শিক্ষাবৃত্তি পাচ্ছে,গবেষণার বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখছে।

এমন সময়ে সরকারী চাকরীতে কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত শিক্ষা জগৎ তথা প্রতিযোগীতার জগতে নতুন মাত্রা যোগ করবে।বাংলাদেশ এখনো সেই অবস্থানে যায় নি যেখানে নারী কোটা একেবারেই বাদ করে দেয়া উচিত,এখনো বাঙ্গালী নারীরা অতটা সমতায় উঠে আসতে পারে নি;তবে!তবে তারা আন্দোলনের মাধ্যমে নিজেদের দাপট দেখিয়ে বলেছে নারী হিসেবে তাদের কোটা লাগবে না,একসাথে প্রতিযোগীতা করেই চাকরী নেবে,এটাই অনেক বড় বিষয়।এর থেকেই বোঝা যায় শিক্ষা ক্ষেত্রে ছাত্রীরা যথেষ্ট আত্মপ্রত্যয়ী হয়েছে•••

জনগোষ্ঠিকে শিক্ষিত করা সরকারের মূল কাজ,এবার সে শিক্ষিত হয়ে কিভাবে নিজেকে পরিচালনা করবে,জীবন অতিবাহিত করবে সেটা তার কাজ। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সহ কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই কোন জনগোষ্ঠীর সুযোগ সুবিধা,বৃত্তি,অগ্রাধিকার বাতিল করে নি সরকার।সুতরাং প্রতিযোগীতা হবে একই মঞ্চে•••

জীবনযাত্রা বনাম যোগাযোগ মাধ্যম

জীবনযাত্রা বনাম যোগাযোগ মাধ্যম

ANALYSING THE WORLD
বাংলাদেশে ফেসবুকের আবির্ভাবের পূর্বে মত প্রকাশের মাধ্যম ছিল মিছিলের স্লোগান,দেয়ালের লিখন,সম্পাদকের অনুমোদন সাপেক্ষে গণমাধ্যম(পত্রিকা,টিভি,রেডিও)।ফেসবুকের প্রথমাবস্থায় যখন এটি জনপ্রিয়তা লাভ করেনি,তখন ব্লগকে কেন্দ্র করে মুক্ত মতপ্রকাশের চর্চা শুরু হয়।মূলত শিক্ষিত ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের হাতে ব্লগের চর্চা শুরু হয় 2005 সাল হতে।"সামহয়ার ইন ব্লগ"র পর ধীরে ধীরে "সচলায়তন" এরপর "মুক্তমনা"সহ অসংখ্য ব্লগ তৈরি হতে থাকে তাদের জন্য।

এই ব্লগারদের চিন্তার মুক্ত প্রকাশ এদেশের রক্ষণশীল অংশের নিকট প্রতিপক্ষ হয়ে উঠতে থাকে,যার প্রকাশ পায় 2013 সালের ব্লগার রাজীব হত্যার মধ্য দিয়ে।

জীবনযাত্রা বনাম যোগাযোগ মাধ্যম


ব্লগ গড়ে ওঠে সমমনা নির্দিষ্ট মতের কিছু মানুষের হাতে,যার ফলে ব্লগের মধ্যেও মত ও গোষ্ঠীরূপ গড়ে ওঠে।কিন্তু ফেসবুক প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এই নিয়ন্ত্রণ আর রইল না।
ফেসবুকের মাধ্যমে মানুষ এমন এক শক্তি হাতে পেল যার সাহায্যে কারো মাধ্যম ছাড়া যখন যা ইচ্ছা স্বাধীনভাবে প্রকাশ করা শুরু করল।প্রত্যেকের ফেসবুক ওয়াল হয়ে ওঠল ব্যক্তিগত মিডিয়া•••
লেখায়,ছবিতে,ভিডিওতে যেভাবে খুশি মানুষ বলতে লাগল।স্বল্প সময়ের মধ্যে পাল্টে গেল মানুষের বলার ভাষা,যোগাযোগের ভাষা।প্রত্যেকে এমন পৃথিবীর সামনে উপস্থিত হলাম যেখানে সবাই সমানভাবে উপস্থিত হতে পারে।


একজনের ফেসবুক ওয়ালকে একজন কতভাবে ব্যবহার করতে পারে,এবং তা অন্যকে কতটা প্রভাবিত করে;এটি এখন সামাজিক গবেষণার বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে।ফেসবুক প্রত্যেককে 'লেখক' বানিয়েছে,স্মার্টফোন বানিয়েছে 'ফটোগ্রাফার'•••

বলার ভাষা এবং যোগাযোগের ভাষা পাল্টে দেয়ার পাশাপাশি আরেকটি রাষ্ট্রীয় মৌলিক উপাদানকে পাল্টে দিয়েছে,আর তা হল "রাজনীতি"।আমরা এর প্রথম প্রভাব দেখি 2013 সালের গণজাগরণের ক্ষেত্রে।মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের দাবিতে ডাক আসে ব্লাগারদের পক্ষ থেকে,এবং ফেসবুকের মাধ্যমে খুব দ্রুত দেশের বৃহত্তর জেলাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে•••
এই আন্দোলনটির চেহারা ছিল পূর্বে সংঘটিত নানা আন্দোলন থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।এই আন্দোলন গড়ে ওঠে যার যার ব্যক্তিগত জায়গা থেকে,ফলে নেতৃত্বের ধরনেও দেখা গেল নতুন ধরন;নেতা বা নেত্রীর ধারনার বদলে এল মুখপাত্রের ধারণা•••


এরপর ফেসবুককে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে 2018 সালে আরো দুটি সচেতনতামূলক আন্দোলন।একটি হল কোটা আন্দোলন।এর মূলভিত্তি ছিল ফেসবুক;যার ফলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সব ধরনের কোটা বাতিল করেন।এরপর সংঘটিত হয় নিরাপদ সড়ক আন্দোলন,এর ফলেও দেশের সড়ক আইনে অনেকটা পরিবর্তন আসে•••

এর থেকে বোঝা যায় ফেসবুকের মাধ্যমে গড়ে ওঠা এই নবজাগরণের সংস্কৃতি আগামী দিনের রাজনীতিকেও গভীরভাবে প্রভাবিত করবে এবং করছে,যার ফলে পাল্টে যাবে সংগঠনের গঠনচিত্র,নেতৃত্বের ধরনসহ আরো অনেক কিছু•••

প্রোগ্রামিং ও শিক্ষাব্যবস্থা

প্রোগ্রামিং ও শিক্ষাব্যবস্থা

ANALYSING THE WORLD
উন্নত বিশ্বের শিশু থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রীরাই কম্পিউটার এবং প্রোগ্রামীং নামক দুটো সিস্টেম সম্পর্কে যথেষ্ট ধারণা রাখে।আমাদের কম্পিটার ব্যবহারকারীদের 80%-ই ভিডিও এডিটিং,মাইক্রোসফ্ট অফিস/এক্সেল/পাওয়ার পয়েন্টের মধ্যে সীমাবদ্ধ।এর বাইরে যা আছে তা সম্পর্কে ধারণা রাখে 20%,এবং সেগুলো নিয়ে কাজ করে 5% এরও কম।
হ্যাঁ,আমি বলছি কম্পিউটার প্রোগ্রামিং সম্পর্কে•••

প্রোগ্রামিং ও শিক্ষাব্যবস্থা


প্রথম বিশ্বের দেশগুলোর ছেলে-মেয়েরা ছোট থেকেই প্রোগ্রামিং শুরু করে,10/12 বছর না হতেই একজন কম্পিউটার প্রোগ্রামার হওয়া কোন ব্যাপারই না!
যেখানে আমরা অনেকেই জানিনা কম্পিউটারের বিভিন্ন ভাষা জেনে তা প্রয়োগের মাধ্যমে কম্পিউটারে বিভিন্ন সিস্টেম তৈরি করাকে প্রোগ্রামিং বলে।


কিছুদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রোগ্রামিং ও হ্যাকিং প্রতিযোগীতায় মাত্র এগারো বছর বয়সী এক শিশু যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ওয়েবসাইট হ্যাক করে বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছে।তবে সেটি ছিল বিখ্যাত হ্যাকারের সমন্বয়ে আয়োজক কমিটির তৈরী ওয়েবসাইট,কিন্তু তারা নিশ্চিত করেছেন যে সাইটটি রাষ্ট্রীয় সাইটের তুলনায় আরো স্ট্রং প্রোগ্রামিং দ্বারা তৈরি করেছেন!
জেনে রাখা উচিত যে,ফেইসবুকের প্রতিষ্ঠাতা জাকারবার্গ মাত্র সাত বছর বয়সে এবং মাইক্রোসফ্টের প্রতিষ্ঠাতা এগারো বছর বয়েসে প্রোগ্রামিং শুরু করেছিলেন!


একজন উন্নত মানের প্রোগ্রামার হতে কম পক্ষে পাঁচটি ভাষা জানতে হবে,তবে 2/3 টি দিয়েও ভাল কাজ করা যায়।একটা মজার ব্যাপার হল একজন প্রোগ্রামার চাইলেই একজন হ্যাকারে পরিণত হতে পারে।কেননা হ্যাকার হতে প্রোগ্রামিং জানা আবশ্যক।তবে বর্তমানের স্প্যাম,রোপোর্ট করে ফেবু আইডি ব্যান করে দেয়া পাতি পাগলদের জন্য এতকিছুর দরকার নেই•••
বর্তমানের র্রাংকিং এ শীর্ষে থাকা প্রোগ্রামিং লেঙ্গুয়েজগুলো হল:

1-JAVA SCRIPT
2-PYTHON
3-C/C++
4-RUBY(hacking based)
5-SQL

সুসংবাদ হল এই যে,উন্নত বিশ্বের এতসব অগ্রগতির মাঝে আমাদেরও টনক নড়েছে খানিক বিলম্বে হলেও•••
আমাদের দেশেও স্কুলগুলোতে প্রোগ্রামিং শিক্ষা উদ্বোধনের প্রতি সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে শুরু হয়েছে কিছু প্রোগ্রামিং প্রতিযোগীতা।