-->

উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বনাম মাদক

মাদকের ভয়াবহতা ব্যাবহারিকভাবে দেখলেও এর নিয়ন্ত্রণে সরকারের ফলপ্রসু ব্যাবস্থাগ্রহণ চোখে পড়েনি।কারাদন্ড থেকে শুরু করে ক্রসফায়ার,কী বাকি রেখেছে সরকার?কিন্তু ফলপ্রসু হয়নি তেমন বেশি,কিংবা ফল বেশিদিন স্থায়ী হয়নি।বরঞ্চ দিন দিন মাদকের প্রভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে•••

মাদকের ভয়াবহতা ব্যাবহারিকভাবে দেখলেও এর নিয়ন্ত্রণে সরকারের ফলপ্রসু ব্যাবস্থাগ্রহণ চোখে পড়েনি।কারাদন্ড থেকে শুরু করে ক্রসফায়ার,কী বাকি রেখেছে সরকার?কিন্তু ফলপ্রসু হয়নি তেমন বেশি,কিংবা ফল বেশিদিন স্থায়ী হয়নি।বরঞ্চ দিন দিন মাদকের প্রভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে•••

উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বনাম মাদক


আজকের পত্রিকায়ও দেখলাম সন্তান নেশা করে এসে ভাই এবং মা কে কুপিয়ে হত্যা করল!
সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ব্যাপার হচ্ছে সাধারণ মানুষ,মূর্খ,নিরক্ষর,আবাল-বৃদ্ধ নেশাগ্রস্থ হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষিত সমাজও যেন জাগরণ সৃষ্টি করছে মাদক জগতে!
কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া দেশের মেরুদন্ডগুলো যখন নেশায় বুঁদ হওয়া শুরু করেছে,তখন সরকার এবং তার দপ্তরগুলো নড়েচড়ে বসেছে•••


মাদকদ্রব্য অধিদপ্তর এখন দেশের মাদক ব্যবসার কুখ্যাত জায়গাগুলো বাদ দিয়ে দেশের শীর্ষস্থানীয় বাদ্যাপীঠগুলোতে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করছে,যদিও এটা আমাদের জন্য যথেষ্ট লজ্জাজনক বিষয়,কিন্তু কোন উপায় নেই।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অভিযান পরিচালনার জন্য মাদকদ্যব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর অনুমতি চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে মাননীয় উপাচার্যের নিকট,কিন্তু তিনি ছাত্রদেরকে মামলা-জেল থেকে বাঁচাতে, সচেতন করতে কিছু সময় নিয়েছেন,অভিযান স্থগিত রেখেছেন এবং প্রক্টরয়াল বডির মাধ্যমে দমন করতে চেষ্টা করছেন।


1990 সালে প্রণিত মাদক-আইন সংশোধন হয়েছে গত 2018 সালের 27 ডিসেম্বর।সরকার ইতোমধ্যেই একটি আইন পাশ করাতে যাচ্ছে,যেখানে লেখা আছে সিভিল সার্ভিসে চাকরীর পূর্বে প্রত্যেক ব্যাক্তির #ডোপ_টেস্ট করা হবে,যার মাধ্যমে ধরা পড়বে জীবনে মাত্র একবার মাদক গ্রহণকারীও•••!
অর্থাৎ সরকার এর মাধ্যমে এই বার্তা দিচ্ছে যে,মাদকের বারুদ্ধে #জিরো_টলারেন্স শুধু একটি ঘোষণা নয়,সরকার নিজেই প্রশাসনে তা নিশ্চিত করবে আগে।মাদক গ্রহণকারী সমাজের ব্যাধির ন্যায়,যে ব্যাধির সাথে সরকার তার প্রশাসনিকে কোন কাজকে সংযুক্ত করতে রাজি নয়•••

এছাড়া পুলিশ প্রশাসন কিছুদিন আগে একটি সফটওয়্যার যুক্ত করেছে তাদের কার্যক্রমে।যেখানে মাদক কিংবা যেকোন কারণে কোন ব্যাক্তি একবার থানায় গেলে,মামলায় অভিযুক্ত হলে সেখানে উক্ত ব্যাক্তির ঠিকানা,গ্রেপ্তারের কারণ ও সময় সবকিছু সেইভ করা হবে,পরবর্তীতে যেকোন কোম্পানিতে চাকরীর জন্যে গেলে, সফটওয়্যারে নাম চেক করার পরপরই মামলা শো করবে এবং চাকরী হবে না!

চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার বলেন,এই শহরের প্রতি 25 টি মার্ডার কেইসের মধ্যে 5 টি মাদকসংক্রান্ত•••
মাদকের ভয়াবহতা এখন বুঝতে পারার অন্যতম কারণ হল সরকারের উচ্চ পর্যায়ের ব্যাক্তিদের সন্তানরাও নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ছে,যার ফলে সরকার এর ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে শুরু করেছে•••

উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বনাম মাদক
উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বনাম মাদক

সর্বোপরি আমি ধন্যবাদ জানাই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে,যার মহাপরিচালক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জামাল স্যারকে,দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে মাদকমুক্ত করার অভিযানে নামার জন্যে।কেননা আগে দেশের কারিগরদের ঠিক করতে হবে,পরে আম জনতা•••
কারিগর নেশাগ্রস্থ হলে,ব্যাস্থাপনাও নেশাগ্রস্থ হবে•••




ANALYSING THE WORLD

Author & Editor

International Political Analyst and Content Writer.

0 comments:

Post a Comment

Please do not enter any spam link in the comment box.